কৃষি ঋণ না পাওয়ার অভিযোগ পান চাষিদের

সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৯-০২-০৬ ১৬:০৩:৩৯


উত্তরের জনপদ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ ও বিরামপুর উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে প্রায় শত বছর ধরে পান চাষ হয়। এসব গ্রামে অন্যান্য ফসলের সঙ্গে পান চাষ কৃষকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

নবাবগঞ্জ উপজেলার ভাদুরিয়া, দাউদপুর, মাহমুদপুর ও কুশদহ ইউনিয়নে পান চাষ করা হয় বলে জানা গেছে। এ এলাকার পরিবেশ অনুকূলে থাকায় এখানে পান উৎপাদন ভালো হয়।

এছাড়া বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের চৌঘরিয়া, দামদরপুর, রণগাঁর, রামচন্দ্রপুর ও দাউদপুর গ্রামের  কৃষকেরা পানচাষের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠেছে। এখানকার চাষিরা বংশ পরম্পরায় পান চাষ করছেন।

নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৬.৫০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির পান চাষ হয়েছে। বরজের সংখ্যা ৬৫টি। পান চাষে বেলে ও দোআঁশ মাটি উপযোগী হওয়ায় এখানে চাষ বেশি হয়ে থাকে। এই এলাকার শতকরা ৮০ জন কৃষক পান চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে অন্যান্য ফসলের চেয়ে পান চাষে বেশি রাসায়নিক সার ও সার্বক্ষণিক পরিচর্যার প্রয়োজন হয়ে থাকে।

এদিকে বিরামপুরের উৎপাদিত পান এখন রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

চৌঘরিয়া গ্রামের নাসির উদ্দিন জানান, চলতি মৌসুমে পানের ব্যাপক চাহিদা ও বাজারমূল্য রয়েছে। এছাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নেয়ায় আগের চেয়ে পান চাষে উন্নতি হচ্ছে।

এই এলাকার চাষিরা অভিযোগ  করেন সরকারি ব্যাংকে কৃষিঋণের ব্যবস্থা থাকলেও পান চাষিরা কোনও ঋণ পান না। এছাড়া পান চাষের ওপর প্রশিক্ষণ না থাকায় ফসলের অনেক ক্ষতি হয়।

এ বছর নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৬৯.৫৫ মেট্রিক টন পান উৎপাদিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মো. আসাদুজ্জামান  ।  তিনি বলেন,পান চাষিদের সব ধরণের সহযোগিতা দেয়া হচ্ছে। তারা যেন ব্যাংক ঋণ পান এজন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছি।