ঋণ খেলাপিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি এফবিসিসিআই‘র
সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০১৯-০২-১৭ ১৮:৩০:৩৫
দেশের ব্যবসা খাতের সুষ্ঠু ও কার্যকর বিকাশে করের হার না বাড়িয়ে করের পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ব্যবসায়ি নেতারা। ভ্যাট কাঠামো বহুস্তরে রাখারও দাবি জানিয়েছেন তারা। এছাড়াও তারা আমদানি বিকল্প খাতগুলোকে সরকারের বিশেষ সহযোগিতার প্রয়োজন তুলে ধরেছেন। ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ হয়রানিমুক্ত ও ব্যবসা-বান্ধব রাজস্ব আদায় ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এছাড়াও দেশের ব্যাংকগুলোর সুদের হার একক অংকে নামিয়ে আনার জন্য খেলাপি ঋণ পরিস্থিতির সমাধান চেয়েছেন তারা।
আজ (১৭-২-১৯) ব্যবসায়িদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাথে সংগঠনের সদস্য সকল এসোসিয়েশনগুলোর এক সভায় এসব বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।
এফবিসিসিআই সভাপতি জনাব মো: শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এফবিসিসিআই সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিমের সভাপতিত্বে ঢাকা ক্লাবে অনুষ্ঠিত এ সভায় এফবিসিসিআই সহ-সভাপতি জনাব মো: মুনতাকিম আশরাফ এবং পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই অধিভূক্ত বিভিন্ন বাণিজ্য এসোসিয়েশনের সভাপতিবৃন্দ অংশ নেন।
এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জনাব মো: শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন তাঁর বক্তব্যে বলেন যে, দেশের জিডিপি’র ৮২% অবদান বেসরকারি খাতের। দেশের ব্যবসা খাতকে সহায়তা করতে বর্তমান সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের তিনি প্রশংসা করেন। দেশের ঋণখেলাপি পরিস্থিতির উল্লেখ করে জনাব মহিউদ্দিন বলেন যে, ঋণ নিয়ে ব্যবসা করতে গিয়ে নানা প্রতিকূলতার কারণে যারা খেলাপি হচ্ছেন তাদের বিষয়টি বিবেচনার দাবি রাখে; তবে যারা অবৈধ উপায়ে ব্যাংকের অর্থ লুটপাট করছেন এফবিসিসিআই তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায়। এফবিসিসিআই সভাপতি দেশের ভ্যাট ব্যবস্থা বহুস্তরে রাখার ওপর গুরুত্ব দেন এবং বিদ্যমান করের হার না বাড়িয়ে করের পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। ব্যবসা পরিচালনা ব্যয় সহনীয় রাখতে তিনি সরকারের নেয়া উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
জনাব শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন গত দু’বছরে এফবিসিসিআই পরিচালনা পর্ষদে সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে শেখ ফজলে ফাহিমের দক্ষ, দায়িত্বপূর্ণ এবং প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। এফবিসিসিআই অধিভূক্ত সকল এসোসিয়েশন গ্রুপের নেতৃবৃন্দ শেখ ফাহিমের সৎ, যোগ্য ও পরিচ্ছন্ন নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও পূর্ণ আস্থা রেখে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এফবিসিসিআই সিনিয়র সহ-সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম তাঁর বক্তব্যে বলেন যে, সরকারের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বিবেচনায় রেখে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে রূপান্তরের লক্ষ্যে দেশের বেসরকারি খাত কাজ করে যাচ্ছে। দেশের ব্যবসায়ি সম্প্রদায়ের নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য এফবিসিসিআই এসোসিয়েশনগুলোর সাথে আলোচনার এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে তিনি জানান। জনাব ফাহিম বর্তমান সরকারের ভিশন ২০৪১ অনুসরণে এফবিসিসিআইয়ের ভিশন ২০৪১-এর উল্লেখ করে বলেন পূর্বাচলে সরকারের দেয়া ১ একর জমির ওপর ‘এফবিসিসিআই আইকন’ ভবন নির্মাণ করা হবে, যেখান থেকে আগামী দিনের এফবিসিসিআই দেশের ব্যবসায়ি সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব দেবে। শেখ ফাহিম জানান যে, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক নানা বিষয়ে নীতিগত সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ‘এফবিসিসিআই ইন্সটিটিউট ফর ইকনোমিক পলিসি প্ল্যানিং এন্ড ডিজাইন’ প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এছাড়াও শেখ ফাহিম খুব শীঘ্রই ‘এফবিসিসিআই বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠার কথা জানান, যেখানে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষাকাঠামো তৈরি করা হবে। জনাব ফাহিম বলেন এফবিসিসিআইয়ের উদ্যোগে প্রকৌশল ও কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ‘এফবিসিসিআই ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়াও এফবিসিসিআই সভাপতি বাণিজ্যিক সবধরনের বিরোধ নিস্পত্তির জন্য ‘এফবিসিসিআই আর্বিট্রেশন সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করেন।
শেখ ফজলে ফাহিম-এর বিগত বছরগুলোর দূরদর্শী, বিচক্ষণ, পরিচ্ছন্ন ও দায়িত্বপূর্ন ভূমিকার কারনে সকল এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে দল মত নির্বিশেষে এফবিসিসিআইয়ের আগামী ২০১৯-২০২১ মেয়াদকালের নিবার্চনে শেখ ফজলে ফাহিমকে সভাপতি পদে পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করা হয়।
সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের বিদ্যমান ভ্যাট ব্যবস্থা বহুস্তরে বহাল রাখার বিষয়ে জোর দাবি জানান। তারা করের হার কমানো এবং করের পরিধি বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দ এফবিসিসিআই আর্বিট্রেশন সেন্টারের কার্যক্রমের সাথে কাস্টমস এবং ভ্যাট ইস্যুগুলোকে সম্পৃক্ত করার অনুরোধ জানান। নগর পরিকল্পনায় অটো-ওয়ার্কশপগুলোকে সম্পৃক্ত করার ওপরও তারা গুরুত্ব দেন।
সভায় উপস্থিত বিভিন্ন এসোসিয়েশনের সভাপতি/প্রতিনিধিবৃন্দরা হচ্ছেন:
বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফ্টওয়্যাার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির, নিউজপেপার ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) সভাপতি জনাব মতিউর রহমান, এসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটর্স অব বাংলাদেশ (এমটব) সভাপতি জনাব মাইকেল ফলে, বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ারডার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব মাহবুবউল আনাম, বাংলাদেশ হাইড এন্ড স্কিন মার্চেন্টর্স এসোসিয়েশনের সভাপতি হাজী মোঃ দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ চশমা শিল্প বণিক সমিতির সভাপতি জনাব ছানাউল্লাহ খাঁন, ন্যাশনাল এসোসিয়েশন অফ স্মল এন্ড কটেজ ইন্ডাষ্ট্রিজ অফ বাংলাদেশ (নাসিব) সভাপতি মির্জা নুরুল গণি শোভন, বাংলাদেশ ফিল্ম ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ ফয়েজ আলম, এসোসিয়েশন অব ওয়েব প্রিন্টার্স অব বাংলাদেশ সভাপতি জনাব মোঃ রা¦ব্বানী জব্বার, বাংলাদেশ গ্লাস মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব মোহাম্মদ হোসেন আলমগীর, শিপার্স কাউন্সিল অফ বাংলাদেশ সভাপতি জনাব মোঃ রেজাউল করিম, বাংলাদেশ বুটিক হাউস ওনার্স এসোসিয়েশন সভাপতি মিসেস পলি রশিদ, বাংলাদেশ হ্যান্ডিক্রাফ্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব আশরাফুর রহমান, উইমেন এন্টারপ্রিনিয়ার্স নেটওয়ার্ক ফর ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মিসেস নাদিয়া বিনতে আমিন, ইন্টারন্যাশনাল এয়ার এক্সপ্রেস এসোসিয়েশন অফ বাংলদেশের সভাপতি জনাব কবির আহমেদ, টেলিকমিনিক্যাশন ইনফ্রাকচার অপারেটরস অব বাংলাদেশ সভাপতি বিগ্রে. জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান, সভাপতি, এ্যানিমেল হেলথ কোম্পানীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব কন্সট্রাকশন ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি ইঞ্জিঃ মুনির উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব কনসালটিং ইঞ্জিনিয়ার্স সভাপতি ড. শামীম জেড বসুনিয়া, বাংলাদেশ টাইলস ডিলার্স এন্ড ইম্পোটার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইউসুফ, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি ইঞ্জি. সুব্রত সরকার, বাংলাদেশ ব্রেড বিস্কুট -ও-কনফেকশনারী প্রস্তুতকারক সমিতির সভাপতি জনাব মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ হোটেল এন্ড গেষ্ট হাউজ ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব সাইফ আহমেদ, ইলেকট্রনিক সেফটি এন্ড সিকিউরিটি এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সভাপতি জনাব মোঃ মোতাহার হোসেন খান, বাংলাদেশ স্মল টি গার্ডেন ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব আমিরুল হক খোকন, বাংলাদেশ এগ্রো-বেসড প্রোডাক্টস প্রোডিউসার এন্ড মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব এম. রুহুল আমিন, বাংলাদেশ মেরিন ফিসারিজ এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব এ.কে. শামসুদ্দিন খান, বাংলাদেশ কাঁচামাল আড়ৎ মালিক সমিতি সভাপতি জনাব ইমরান মাস্টার, ফিস ফার্ম ওনার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ সভাপতি জনাব মোল্লা শামসুর রহমান (শাহিন), বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্স ইম্পোর্টার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন জনাব শুধীর চৌধুরী, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন পোষাক প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ মোঃ আলাউদ্দিন মালিক, মেইজ এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ সভাপতি জনাব এ.কে.এম. আজাদ, বাংলাদেশ রাবার ইন্ডাষ্ট্রিজ এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব শফিকুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ জামদানী ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মিসেস আফরোজা খানম মুক্তা, বাংলাদেশ অটো বিস্কুটস এন্ড ব্রেড ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব মোঃ শাফিকুর রহমান ভূইয়া, বাংলাদেশ জুয়েলারী ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ পেট ফ্ল্যাক্স ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব নাজমুল হাসান, এসোসিয়েশন অব ট্যাক্সিক্যাব ওনার্স অব বাংলাদেশ সভাপতি জনাব আলিমুজ্জামান আলম, বাংলাদেশ লজেন্স ম্যানুফ্যাকচারিং এসোসিয়েশন জনাব আনিসুর রহমান বাদশা, বাংলাদেশ এগ প্রডিউসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব তাহের আহমেদ সিদ্দিকী, বাংলাদেশ হার্ডওয়ার এন্ড মেশিনারী মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব মোঃ কামাল হোসেন (কামাল), বাংলাদেশ পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী আব্দুল আহাদ, স্মল এন্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজেস ওনার্স এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (এসএমই) সভাপতি জনাব মোঃ আলী জামান, বাংলাদেশ ইলেকট্রিক্যাল মার্চেনডাইস ম্যানুঃ এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব মাইনুল ইসলাম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ক্রোকারীজ মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি হাজী মোঃ মনির হোসেন, বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল মেশিনারী মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের জনাব খন্দকার মঈনুর রহমান (জুয়েল), বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইম্পোর্টার্স এন্ড ডিলার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব মোঃ হাবিব উল্লাহ ডন, বাংলাদেশ সোয়াবিন এন্ড সোয়াফুড প্রোডিউসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব মোস্তাক আহমেদ বিপ্লব, এসোসিয়েশন অব গ্রাসরুটস্ ওমেন এন্টারপ্রেনার্স বাংলাদেশ সভাপতি মিসেস মৌসুমী ইসলাম, বাংলাদেশ কালি প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির জনাব এম. এ. মোমেন, বাংলাদেশ এ্যালুমিনিয়াম ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব ওবায়দুর রহমান, বাংলাদেশ টয় মার্চেন্টস, ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি হাজী হারুন-আর-রশিদ, বাংলাদেশ শীপ হ্যান্ডলিং এন্ড বার্থ অপারেটর্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব এ.কে.এম. শামসুজ্জামান (রাসেল), বাংলাদেশ অটো রাইস মিল ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব এ.কে.এম. খুরশেদ আলম খান, সীফুড এক্সপোর্ট বায়িং এজেন্টস এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ সভাপতি জনাব মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, বাংলাদেশ গ্রোসারী বিজনেস এসোসিয়েশনের সভাপতি জনাব সৈয়দ সোহেল এবং মাহবুব ইসলাম রুনু । এছাড়াও বাংলাদেশ পুরাতন কাপড় আমদানীকারক সমিতি, বাংলাদেশ রি-রোলিং মিল্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ইলেক্ট্রিক্যাল মটর পাম্প ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ প্লাস্টিক গুডস ম্যানুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ কটন এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ অটো রি-রোলিং মিল্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ সুপার মার্কেট ওনার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানূফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ টি এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মোজাইক মার্চেন্টস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ওয়েস্ট পেপার সাপ্লায়ার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ আমব্রেলা ম্যানুফ্যাকচারার্স মার্চেন্টস এন্ড ইম্পোর্টার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল মেশিনারী মার্চেন্টস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ঠিকাদারী সমিতি, বাংলাদেশ গ্রে-ক্লথ মার্চেন্ট এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন, বিএবিএমএ, ইলেকট্রিক্যাল ক্যাবল ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ স্টিল মিলস ওনার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পাইপ এন্ড টিউবওয়েল মার্চেন্টস এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ এয়ার কন্ডিশনিং ইকুইপমেন্ট ইম্পোটার্স এসোসিয়েশন, সাইবার ক্যাফে ওনার্স এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কোল ট্রেডার্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ অটোমোবাইলস ওয়ার্কসপ মালিক সমিতি, বাংলাদেশ পুস্তক বাঁধাই ব্যবসায়ী সমিতি, পিউর ড্রিংকিং ওয়াটার ম্যানুফ্যাকচারার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশনের সভাপতি/প্রতিনিধিবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














