মাথাপছিু আয় বৃদ্ধিতে কৃষির বিপ্লব অপরির্হায: কৃষিমন্ত্রী

সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৯-০৩-০৬ ১৮:৫৭:০০


মাথাপছিু আয় বৃদ্ধিতে কৃষির বিপ্লব অপরির্হায এবং এর কোন বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন,কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের কৃষিক্ষেত্রে নানামুখী পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। আমাদের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা।

আজ বুধবার(৬ র্মাচ) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষি মন্ত্রণালয় এবং আন্তর্জাতিক খাদ্য নীতি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইএফপিআরআই) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘এগ্রিকালচারাল টান্সফরমেশন ইন বাংলাদেশ : এভিডেন্স অন এগ্রিকালচারাল বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড টিউট্রেশন সেনসিটিভ এগ্রিকালচার’ শীর্ষক পলিসি ওয়ার্কশপ-এর উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও এগ্রিকালচারাল পলিসি সাপোর্ট ইউনিটের (এপিএসইউ) মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান, ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) ভারপ্রাপ্ত মিশন ডিরেক্টর জেইনাহ সালাহি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মীর নুরুল আলম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. আবুল কালাম আজাদ বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। আইএফপিআরআই-এর বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেনটিটিভ ড. আখতার আহমেদ স্বাগত বক্তব্য দেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি হচ্ছে দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা দেওয়ার প্রধানতম এবং অন্যতম উৎস। কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়নে সরকার যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন হালনাগাদ করেছে। ফলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের কৃষির টেকসই উন্নয়নের জন্য কৃষি রূপান্তর, কৃষি বহুমুখীকরণ, বাজারজাতকরণ এবং ভ্যালু অ্যাড ও ভ্যালু চেইন অপরিহার্য।

তিনি বলেন, বৈচিত্রপূর্ণ খাদ্যের উৎপাদনে জৈবপ্রযুক্তি মাধ্যম ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। হালনাগাদ কৃষি নীতিতে বায়োটেকনোলজি গবেষণা ও উন্নয়নয়নকে অগ্রধিকার দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আর এজন্য কৃষি গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।

কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে সরকার  আধুনিক জৈব প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জিএমওসহ কৃষি রূপান্তর, বিভিন্ন হাইব্রিড জাত নিয়ে এসেছে। আমাদের চাহিদার চেয়ে ৩০ লাখ টন আলু বেশী উৎপন্ন হয়, যার মাত্র ১ লাখ টন রপ্তানি করা যাচ্ছে। মাথাপছিু আয় বৃদ্ধিতে কৃষির বিপ্লবের কোনো বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, খাদ্যে ভেজাল রোধে আমাদের আরো কঠোর হতে হবে। খাদ্য ভেজাল রোধে আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ভেজাল প্রতিরোধে ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে একটি ল্যাব ও বিভাগীয় শহরের একটি করে ল্যাব স্থাপন করা হবে যাতে করে দ্রুততার সাথে ভেজার সনাক্ত করা যায়।