মধু রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব: কৃষিমন্ত্রী

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০১৯-০৩-১০ ১৯:৩৪:৫৯


মূল্যবান মৌ সম্পদ এবং মধু উৎপাদন ও বিপণনের মাধ্যমে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন, কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।তিনি বলেন, মধু দেশের একটি সম্ভাবনাময় খাত।

রোববার (১০ র্মাচ) রাজধানীর আ.কা.মু গিয়াস উদ্দিন মিলকি অডিটরিয়াম চত্বরে জাতীয় মৌ মেলা ২০১৯ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চাই কৃষিসহ ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে সুউচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন। কৃষিকে প্রকৃত বাণিজ্যিক কৃষিতে রুপান্তর করতে হবে, এর জন্য বাজারজাত বিপণন ও রপ্তানি অপরিহার্য। জাপান আমাদের দেশ থেকে মধু আমদানি করে, তাহলে সে দেশে আরও অনেক কিছু রপ্তানি করা যাবে সেগুলো বের করতে হবে। আমাদের প্রক্রিয়াজাত ও দেশীয় ব্র্যান্ড না থাকায় কাঁচা মধুও রপ্তানি করতে হচ্ছে। মৌমাছি প্রকৃতির বন্ধু। পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে মৌমাছির বিভিন্ন প্রজাতি আজ বিপন্নপ্রায়। তাই প্রকৃতির সুরক্ষায় সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের রফতানি পণ্যের  তালিকায় এখন যুক্ত হয়েছে মধুর নাম । ফসলের মাঠে মৌমাছি বিচরণ করলে সেখানে বাড়তি পরাগায়ণের কারণে ফসলের উৎপাদন ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। মৌচাষের মাধ্যমে মধু আহরণে সমৃদ্ধি ও শষ্য বা মধুভিত্তিক কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। মৌসুমে সরিষা, ধনিয়া, তিল, কালিজিরা, লিচুসহ আবাদ হয় মোট প্রায় ৭ লাখ হেক্টর জমিতে বা বাগানে, এখানের মাত্র ১০ শতাংশ জায়গায় মৌ বাক্স বসিয়ে মধু আহরণ করে। জড়িত প্রায় ২৫ হাজার মৌ-চাষীসহ মধু শিল্পে জড়িত প্রায় ২ লাখ মানুষ। উৎপাদন প্রায় ৬ হাজার টন।

অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক জনাব মীর নুরুল আলম এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়েল সচিব মো. নাসিরুজ্জামান এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোফেসর মো. আহসানুল হক স্বপন।