দক্ষ উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় সক্ষম ২০% পোশাক কর্মী
সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৯-০৩-১২ ১৫:৩২:৫০
বিভিন্ন পোশাক কারখানার উৎপাদন পর্যায়ে নিয়োজিত কর্মীদের অধিকাংশই নারী। যদিও এ নারীদের উৎপাদন কর্মকাণ্ড ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিতদের প্রায় সবাই পুরুষ।
মোট কর্মীবাহিনীর ২০ শতাংশ দক্ষতার সঙ্গে উৎপাদন কর্মকাণ্ড ব্যবস্থাপনায় সক্ষম বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) বরাতে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)।
২০১৬ সাল থেকে আইএলও ও আইএফসি একটি প্রকল্প পরিচালনা করে আসছে। দ্য জেন্ডার ইকুয়ালিটি অ্যান্ড রিটার্নস (জিইএআর) শীর্ষক ওই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে পোশাক কারখানায় নারী সুপারভাইজরদের দক্ষতা বৃদ্ধির কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। যৌথভাবে বাস্তবায়িত ওই প্রকল্পের সূত্রেই দক্ষ ব্যবস্থাপনায় নারী-পুরুষের অংশগ্রহণের তথ্যসহ দক্ষ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত কর্মী অংশগ্রহণের তথ্য জানিয়েছে আইএফসি-আইএলও।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, দেশের পোশাক কারখানাগুলোর সুইং শাখায় কর্মরতদের ৮০ শতাংশই নারী। কিন্তু প্রতি ২০ জনের মধ্যে ১৯ জন লাইন-সুপারভাইজরই পুরুষ। এ হিসেবে ব্যবস্থাপনায় সক্ষমতা সম্পন্ন ৯০ শতাংশ আসে মাত্র ২০ শতাংশ কর্মীবাহিনী থেকে। জিইএআর প্রকল্পের আওতায় এখন পর্যন্ত ১৪৪ জন নারী শ্রমিকের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৫৮ জনই এখন সুপারভাইজরের দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রকল্পের প্রভাব মূল্যায়ন প্রসঙ্গে আইএলও জানিয়েছে, প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের দক্ষতা গড়ে ৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকল্পের আওতাভুক্ত নারী সুপারভাইজরদের বেতন বেড়েছে গড়ে ৩৯ শতাংশ। জিইএআর প্রকল্পটির আওতায় এখন ৭০টি কারখানার ৭০০ নারী অপারেটর ও তাদের সুপারভাইজর প্রশিক্ষণ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে আইএলও। এ ধারাবাহিকতায় আবারো প্রশিক্ষণ স্কিম চালু করার ঘোষণা দিয়েছে আইএফসি ও আইএলও। আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০১৯ উপলক্ষ করে এ ঘোষণা দিয়েছে সংস্থা দুটি।
এ প্রসঙ্গে আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তুওমো পৌতিয়ানেন বলেন, ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠার সময় থেকে লিঙ্গবৈষম্য এবং লিঙ্গ ক্ষমতায়ন আইএলওর মূল নীতিগুলোর অন্যতম। ১০০ বছর পরও ওই বিষয়টিই এখনো মূল কার্যক্রমের অংশ। শুধু পোশাক খাত নয়, বরং সব খাতেই লিঙ্গবৈচিত্রে অগ্রগতি অর্জনের বাকি আছে।
আইএফসির ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ম্যানেজার নুজহাত আনোয়ার বলেন, পোশাক খাতে সক্ষমতার মূলে রয়েছে দক্ষতা এবং ক্ষমতায়নের ব্যাপকতা বৃদ্ধি। প্রকল্পের আওতায় আশা করা যায়, পোশাক খাতে আরো সক্রিয়ভাবে কাজের মাধ্যমে কর্মক্ষেত্রে লিঙ্গ ভারসাম্য রক্ষা ও নারীর পদোন্নতির সম্ভাবনা বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














