বাজেটে যুব কর্মসংস্থান ও গ্রাম উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ থাকবে
সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৯-০৩-২০ ১৬:২৯:২৩
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি সাড়ে ৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য থাকবে বলে জানান, অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেন, এছাড়া যুব কর্মসংস্থান ও গ্রাম উন্নয়নে থাকবে বিশেষ বরাদ্দ। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো ও গুণগত মান নিশ্চিতে গুরুত্ব থাকবে। বরাদ্দ বাড়বে মেগা প্রকল্পেও।
অর্থনীতিবিদ ও পেশাজীবীদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে কোনো কিছুই কমবে না, সবকিছুই বাড়বে। বাজেটে কথা কম থাকবে, কিন্তু আকারে কমবে না। আমরা আশা করছি, আগামী বাজেটের লক্ষ্য অর্জন করতে পারব। সবার সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে বাজেটের আকার নির্ধারণ করব। প্রবৃদ্ধি অর্জন যেন সাড়ে ৮ শতাংশ হয়, সে হিসাব মাথায় রেখে বাজেট ঘোষণা করা হবে। আগামী বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী পালিত হবে। সেই স্পিরিট থেকে এই জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের চেষ্টা করা হবে।
আলোচনা সভায় অর্থনীতিবিদরা ব্যাংকিং খাতে সংস্কার, এনবিআরকে শক্তিশালীকরণ, কর ব্যবস্থাকে অটোমেশনের আওতায় আনা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে উদ্যোগ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এর জবাবে তিনি কর-জিপিডি অনুপাত বাড়াতে এনবিআরকে শক্তিশালী করে অটোমেশনের আওতায় আনা, ই-পেমেন্ট সার্ভিস চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এর পর থেকে যে কেউ, যেকোনো জায়গায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়তে পারবে না। অনেকে কিছু জায়গা নিয়ে একটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে, যেখানে পয়সা নিয়ে কিছু মানুষের কর্মসংস্থান করা হয়। পয়সা নেয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। বেসরকারিভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না করে, সেখানে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান করতে আর কোনো বেসরকারি উদ্যোগ আসুক, আমরা তা চাই না। যে কেউ চাইলেই এখন থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে পারবে না।
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতিবিদরা শিক্ষা খাতে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। বাস্তবতা হলো প্রকল্পে শিক্ষার জন্য আলাদা অঙ্গ থাকে। শুধু প্রাইমারি শিক্ষাই শিক্ষা না, এর বিষয়টা অনেক বিস্তৃত। সেই হিসেবে শিক্ষায় কখনো বরাদ্দ কমে না, বরং বাড়ে।
বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তাই আগামী বাজেটে মেগা প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বেশি রাখা হবে, যাতে করে প্রকল্পগুলো দ্রুত শেষ করা যায়। আরো দুটি কাজ করতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার অনুসারে আমার গ্রাম আমার শহর ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মনোযোগী হতে হবে। দেশের প্রতিটা গ্রাম শহরে রূপান্তর করা হবে। যেখানে-সেখানে হাটবাজার হবে না। জমি সাশ্রয় করে কৃষিকাজে ব্যবহার করা হবে। দেশের তরুণেরা ভবিষ্যৎ। তরুণ প্রজন্মের জন্য বেশি বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














