প্লেসমেন্টে শেয়ার ইস্যুর কারণে পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট
পুঁজিবাজার ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৯-০৩-২৫ ১৮:৫৪:৪৪
পুঁজিবাজারের চলমান পতনের কারণ হিসাবে কাজ করছে তারল্য সংকট। যে কারণে লেনদেন ৪শত কোটি টাকার নিচে নেমে এসেছে। আর এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে প্লেসমেন্টে স্রোতের মতো শেয়ার ইস্যুর কারনে। এছাড়া এফডিআর সুদের হার বৃদ্ধির কারণে টাকা পুঁজিবাজার থেকে সড়ে যাচ্ছে।
সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের আলোচনায় এ তথ্য উঠে এসেছে।
বৈঠকের আলোচনায় আরো উঠে এসেছে যে পুঁজিবাজারের তারল্য সংকট অনৈতিক প্লেসমেন্টে বাণিজ্য ও স্থায়ী আমানতের (এফডিআর) সুদের হার বৃদ্ধিতে সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া পুঁজিবাজারে পতনের অন্যতম কারণ হিসাবে রয়েছে উদ্যোক্তা/পরিচালকদের শেয়ার বিক্রি, প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) দূর্বল কোম্পানির আগমন, নিরীক্ষকদের দূর্বল নিরীক্ষা ইত্যাদি।
বৈঠকে অংশ নেওয়া এক শীর্ষ ব্রোকার বলেন, তারল্য সংকট এমন আকার ধারন করেছে, যেখানে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর কাছে কোন টাকা নেই। যাতে তারা শেয়ার কিনতে পারছেন না। অন্যদিকে উদ্যোক্তা/পরিচালকেরা শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে টাকা উঠিয়ে নিয়ে আরও তারল্য সংকটের সৃষ্টি করছে।
ওই ব্রোকার আরও বলেন, আইপিওতে ভালো মানের কোম্পানি আসছে না। যাতে কোম্পানিগুলো ২-৩ বছরের ব্যবধানে ‘এ’ ক্যাটাগরি থেকে ছিটকে পড়ছে। যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরী করছে।
তিনি বলেন, নিরীক্ষকদের নিরীক্ষা মানের অবস্থা খুবই শোচণীয়। কোম্পানি কর্তৃপক্ষ যেভাবে আর্থিক হিসাব তৈরী করে, নিরীক্ষক সেটাকেই সত্যায়িত করে। প্রকৃত চিত্র যাছাই করে না। যাতে আইপিওতে আসার জন্য কোম্পানিগুলো সহজেই অতিরঞ্জিত আর্থিক হিসাব প্রকাশের সুযোগ পায়। এছাড়া নিরীক্ষার বাধ্যবাধকতা না থাকায়, কোম্পানি কর্তৃপক্ষ প্রান্তিক (কোয়ার্টার) আর্থিক হিসাবগুলো নিজেদের মতো করে বেশি সাজিয়ে প্রকাশ করে।
বৈঠকে ডিএসইর চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল হাশেম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএএম মাজেদুর রহমানসহ শীর্ষ ব্রোকার হাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সান বিডি/এসকেএস






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













