প্রধানমন্ত্রী নজর দিলে বিশ্বে নজির হবে পুঁজিবাজার

পুঁজিবাজার ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৯-০৪-২৯ ১৫:০০:২০


প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা একটু নজর দিলে পুঁজিবাজার বিশ্বে নজির স্থাপন করতে পারবে বলে মনে করেন বিনিয়োগকারীরা।

সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে ১২ দফা দাবি নিয়ে ‘পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ’র ব্যানারে এই প্রতিকী গণঅনশনে অংশগ্রহনকারী বিনিয়োগকারী এমনটি মনে করেন।

গণঅনশনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি আবুল হোসাইন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা দ্রুতই উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের দেশ হবো টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে। এই উন্নয়নের সাথে সাথে পুঁজিবাজারেও টেকসই উন্নয়ন প্রয়োজন। পুঁজিবাজারের উন্নয়ণ না হলে অর্থনীতিতে যে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি তা দেখা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী যদি পুঁজিবাজারের দিকে নজর দেন তাহলে পুঁজিবাজার হতে পারে বিম্বের অন্যতম বিনিয়োগের স্থান।

এর আগে বিনিয়োগকারীরা যে ১২ দফা দাবি নিয়ে গণঅনশনে বসেছেন সেগুলো তুলে ধরা হলো : যে সমস্ত কোম্পানি পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করেছে এবং করবে-ওই সমস্ত কোম্পানিকে বাধ্যতামূলকভাবে ন্যূনতম ১০ শতাংশ লভ্যাংশ দিতে হবে। জেড গ্রুপের এবং ওটিসি (ওভার দ্য কাউন্টার) মার্কেট বলতে কোনো মার্কেট থাকতে পারবে না; দুর্বল কোম্পানির আইপিও প্লেসমেন্ট শেয়ারের অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে; খন্দকার ইব্রাহিম খালেদের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী দোষীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে; ২সিসি আইনের বাস্তবায়ন করতে যে সকল কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের ব্যক্তিগত ২ শতাংশ এবং সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ার নেই সেসব উদ্যোক্তা পরিচালকদের ও কোম্পানিগুলোকে বিচারের আওতায় আনতে হবে; পুঁজিবাজারে অর্থের জোগান বৃদ্ধির জন্য সহজ শর্তে ৩ শতাংশ সুদে ১০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দিতে হবে, যা আইসিবি, বিভিন্ন মার্চেন্ট ব্যাংক ও ব্রোকার হাউজের মাধ্যমে ৫ শতাংশ হারে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা লোন হিসেবে বিনিয়োগের সুযোগ পাবে; পুঁজিবাজারের প্রাণ মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোকে পুঁজিবাজারে সক্রিয় হতে বাধ্য করা এবং প্রত্যেক ফান্ডের ন্যূনতম ৮০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে হবে। মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোকে কমপক্ষে ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিতে হবে এবং মেয়াদ না বাড়িয়ে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোকে উন্মুক্ত ফান্ডে রূপান্তর করতে হবে; পুঁজিবাজার-সংক্রান্ত যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় বিনিয়োগকারীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে; ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং অ্যাক্ট-২০১৫ বাস্তবায়ন ও বাইব্যাক আইন চালু করতে হবে; আইপিওর শেয়ারে সাধারণ বিনিয়োগকারীর ৮০ শতাংশ কোটা দিতে হবে; ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মার্জিন লোনের সুদ সম্পূর্ণ মওকুফ করতে হবে এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিপরীতে বাংলাদেশ স্টক এক্সচেঞ্জ নামে বিকল্প স্টক এক্সচেঞ্জ করতে হবে। এর ফলে কারসাজি বন্ধ করা যাবে।

সান বিডি/এসকেএস