বিশ্ব সেরা বিশ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ:অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০১৯-০৫-১০ ১২:৪৩:০২


আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে প্রভাবশালী ২০ দেশের তালিকায় আসছে বাংলাদেশ।“আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অংশীদার হবে এমন প্রভাবশালী ২০টি দেশের মধ্যে একটি হচ্ছে বাংলাদেশ। এপ্রিল,২০১৯ –এর ওয়ার্ল্ড ইকনমিক আউটলুকে আইএমএফ ২০২৪ সাল পযন্ত বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্র্রবৃদ্ধির যে প্রক্ষেপণ করেছে, তাঁর আলোকে ব্লুমবার্গ-এর করা বিশ্লেষণে এ তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগামী অর্থবছর বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধিতে প্রায় ১ শতাংশ অবদান রাখবে বাংলাদেশের অর্থনীতি। আগামী ২০২৪ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক অর্থনীতি’র প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশের এই অবদান অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, ব্লুমবার্গের বিশ্লেষণটি গত ৬ মে, ২০১৯ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে।”

বৃহস্পতিবার (৯ মে, ২০১৯) শেরেবাংলা নগরে অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর দানদান চেনসহ বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে মাননীয় অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন,বাংলাদেশের বিশ্ব অর্থনীতি ১শ’ ভাগের দশমিক ৯ ভাগ অবদান রাখবে। যেখানে বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশ কানাডার অবদানও একই। ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক অর্থনীতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্লুমবার্গের এক বিশ্নেষণে বাংলাদেশের অর্থনীতির এ সম্ভাবনা উঠে এসেছে।

অর্থমন্ত্রী আর বলেন, সম্প্রতি (৬ মে, ২০১৯) আইএমএফ বৈশ্বিক অর্থনীতির যে প্রক্ষেপণ প্রকাশ করেছে সেই তথ্যের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গ এ বিশ্নেষণ করেছে। ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৪ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখবে চীন। চীনের অবদান থাকবে সবচেয়ে বেশি যা ২৮ শতাংশ। এর পরই রয়েছে ভারত। ঐ সময়ে বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ভারতের অবদান দাঁড়াবে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এর পরই রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্ষমতাধর এই দেশটির অবদান থাকবে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ। এর পরই রয়েছে ইন্দোনেশিয়া। আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিনত হবে। তবে আমাদের অগ্রযাত্রার যে গতি পরিলক্ষিত হচ্ছে তাতে আশা করা যায় এর পূর্বেই আমরা সে আশা পূর্ণ করতে পারব। আশা করা যায় অচিরেই বাংলাদেশ জি-২০ দেশগুলোর অন্তর্ভূক্ত হবে।

বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর দানদান চেন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, রোহিঙ্গ শরনার্থীদের সহযোগীতা, আর্থিক খাত সংস্কারের পদক্ষেপ, নারীদের কর্মস্থান ও নারী ক্ষমতায়নের প্রশংসা করেন এবং আগামীতে বাংলাদেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।