অর্থ পাঁচার,সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন বন্ধে কঠোর অবস্থানে সরকার:অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০১৯-০৫-১৬ ১৭:৩৪:৩৭


অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আমদানি – রপ্তানীর আড়ালে অর্থ পাঁচারকারীদের চিহ্নিত করতে বিশেষ সংস্থা আসছে। এই বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন আমরা আর কোনমতেই সন্ত্রাস এবং দূর্নীতি দেখতে চাইনা । মানি লন্ডারিং করা এটা এটি একটি বড় দূর্নীতি। অন্যদিকে টেরোরিস্ট ফাইন্যান্সিং দূর্নীতি মাঝে টাকা অর্জিত হয়ে এখানে ব্যবহ্রত হয় । কাজেই দূর্নীতিকে এবং সন্ত্রাসকে সরকার না বলেছে এখন এটা যেভাবেই হোক বাস্তবায়ন করতে হবে ।

তিনি আরও বলেন, মানি লন্ডারিং রোধ বাস্তবায়ন করার জন্য শক্তিশালী কমিটি গঠন করা হয়েছে । কমিটির সবাই একমত পোষন করছি যে, আমাদের যার কাছে যা তথ্য আছে যেখানে মানিলন্ডারিং এর মতো কিছু মনে হয় এবং টেরোরিজম  ফাইন্যান্সিং এর মতো কিছু মনে হয়, সে তথ্যগুলো নির্ধারিত এ্যাকশন কমিটির কাছে জমা দিবে ।

তিনি বলেন, আমরা কারও বিরুদ্ধে না, তবে দেশের ক্ষতি করে কেউ পার পাক আমরা সেটা হতে দিবোনা ।সবাই সবার যায়গা থেকে ব্যবসা বানিজ্য করবে কোন বাধা আসবেনা । তবে কোন ভাবেই মানিলন্ডারিং এবং টেরোরিস্ট করতে পারবেনা । করলেই সাথে সাথে তা প্রতিহত করা হবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে ।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, মানি লন্ডারিং এবং ট্যারিরিজম আইনটি আরও শক্তিশালী করা হবে । এবং তা অতি শীঘ্রই করা হবে।

তিনি বলেন আমাদের মানি লন্ডারিং এর খাত দুটি একটি হলো ব্যাংক এবং অন্যটি এনবিআর ।এই দুই যায়গা ছাড়া বড় আকারে অন্য কোথাও থেকে মানিলন্ডারিং হয়না ।

তিনি বলেন, মানিলন্ডারিং ঠেকাতে বিএফআইইউ কাজ হলো কোথাও কোন সন্দেহ হয় কি না । সন্দিহান বা অনিয়ম কোন কিছু লেনদেন দেখলে যথাযথ অথরিটিকে জানানো । তবে তারা কোন এ্যাকশন নিতে পারবেনা তারা শুধু ইনভেশটিগেশন করবে ।

পণ্যের গুনগত মান নিয়ে বলেন, পণ্যের মান যাচাই করার জন্য এনবিআর একটি সেল ইউজ করবে ।ওভার প্রাইজ এবং আন্ডার প্রাইজ দেখার জন্য মনিটরিং সেল থাকবে ।কেউ যদি পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয় অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে তবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে ।

সানবিডি/এমএফইউ