ঢাকা দক্ষিনকে ৮৩০ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০১৯-০৫-২৯ ১৪:৩৫:৪১


ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় বেশকিছু এলাকা কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ, নয়াবাজার, সূত্রাপুর, গুলিস্তান, খিলগাঁও, মুগদা ও বাসাবো এলাকায় উন্মুক্ত স্থান বাড়ানো, আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশগত মান উন্নয়ন, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পার্ক, খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার কাম মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সসহ বেশকিছু উন্নয়ন পরিকল্পনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এজন্য ঢাকা দক্ষিনকে ৮৩০ কোটি টাকা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।

আজ বুধবার (২৯ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. জাহিদ হোসেন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জাহিদুল হকে এর মধ্যে একটি ঋণ চুক্তি সই হয়।

বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের শহরকে আবাস যোগ্য করতে হবে। জনগণের দৃষ্টিতে এসডিজি গোল ১১ বাস্তবায়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের মোট উৎপাদনের একপঞ্চমাংস ঢাকা শহরে হয়ে থাকে। উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে যেতে হলে ঢাকা শহরের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হবে।

জাহিদ হোসেন বলেন, এই প্রকল্পের ভিন্নতা আছে। প্রথমত যা আছে সেটি উন্নতি করা দ্বিতীয়ত সমন্বীতভাবে বাস্তবায়ন কার্যকর করা। জনগণের মতামত নিয়ে স্থানীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রকল্পের কার্যক্রম খুব ভাল তবে প্রকল্পের সঠিকতম বাস্তবায়ন অন্যতম চ্যালেঞ্জ

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এর আওতাধীন কামরাঙ্গীচর, লালবাগ, নয়াবাজার, সূত্রাপুর, গুলিস্থান, খিলগাঁও, মুগদা ও বাসাবো এলাকাগুলোতে জনসাধারণের ব্যবহারযোগ্য স্থান বৃদ্ধি এবং নগর সেবা উন্নয়ন করা।

এছাড়াও অন্যান্য উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে রয়েছে উন্মুক্ত স্থান বৃদ্ধি করাসহ নগরবাসীর সামগ্রীক জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি করা, আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশগত মান উন্নয়ন, ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পার্ক, খেলার মাঠ, কমিউনিটি সেন্টার কাম মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সসহ অন্যান্য কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে নাগরিক সেবা বাড়ানো হবে।

তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (আইডিএ) ৮৩৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ঋণের অর্থ ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য ঋণের উত্তোলিত অর্থের ওপর বার্ষিক শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস এবং ১ দশমিক ২৫ শতাংশ হারে সুদ দিতে হবে। অনুত্তোলিত অর্থের ওপর সর্বোচ্চ বার্ষিক শূণ্য দশমিক ৫০ শতাংশ

 

সানবিডি / এমএফইউ