এলএনজি আমদানি করে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা যাবে
সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৯-০৬-১০ ১১:০২:৪০
বেসরকারি খাতে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি, মজুদ, রি-গ্যাসিফিকেশন ও সরবরাহের ব্যবসা করতে হলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি অথবা ভারী শিল্প খাতে প্রকল্প নির্মাণ বা পরিচালনায় কমপক্ষে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একই সঙ্গে সরকার নির্ধারিত আর্থিক সামর্থ্যের যোগ্যতাও থাকতে হবে আগ্রহী ব্যবসায়ীদের।
সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় ‘বেসরকারি খাতে এলএনজি স্থাপনা নির্মাণ, আমদানি ও সরবরাহ নীতিমালা ২০১৯’ জারি করেছে। নীতিমালায় বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নীতিমালা অনুযায়ী বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অনুমতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে জেটি, আনলোডিং প্ল্যাটফর্ম, স্টোরেজ ট্যাংক ও রি-গ্যাসিফিকেশন প্লান্ট স্থাপন করতে হবে। উদ্যোক্তারা নিজস্ব বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে এলএনজি ব্যবহার করতে পারবেন। বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির জন্যও উদ্যোক্তারা এলএনজি আমদানি করতে পারবেন। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের আমদানি নীতি আদেশ অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত আমদানি শুল্ক্ক, ভ্যাট ও অন্যান্য কর পরিশোধ করতে হবে। এলএনজি আমদানি, সরবরাহ ও প্লান্ট স্থাপনে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রয়োজনীয় লাইসেন্স নিতে হবে।
প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা পূরণে এরই মধ্যে সরকার জিটুজি পদ্ধতিতে এলএনজি আমদানি শুরু করেছে। আমদানি করা এলএনজি রি-গ্যাসিফিকেশনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নীতিমালায় বলা হয়, এলএনজি আমদানির জন্য প্রথমে অবকাঠামো স্থাপন করতে হবে। এরপর জ্বালানি বিভাগের অনুমোদন নিয়ে পেট্রোবাংলার অনুমোদিত স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী আমদানি করা যাবে। প্রতি বছরই আমদানির অনুমোদন নবায়ন করতে হবে। এলএনজি পরিবহনেও লাগবে সরকারের অনুমতি।
বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা তাদের রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি বিক্রির ক্ষেত্রে ক্রেতার সঙ্গে আলোচনা করে স্বাধীনভাবে দাম নির্ধারণ করতে পারবেন। এলএনজি আমদানির পর বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা নিজের প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার ও গ্রাহকদের কাছে বিক্রির পর যা থাকবে তা পেট্রোবাংলার কাছে বিক্রি করতে পারবেন। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানের মোট আমদানির ২৫ ভাগের বেশি এলএনজি কিনবে না পেট্রোবাংলা।
এদিকে আরেক প্রজ্ঞাপনে বেসরকারি পেট্রোকেমিক্যাল প্লান্ট স্থাপন ও পরিচালন নীতিমালা প্রকাশ করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। ওই নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্লান্ট স্থাপনে নিজস্ব জমি থাকতে হবে। নতুবা কমপক্ষে ২৫ বছরের লিজ নেওয়ার রেজিস্টার্ড চুক্তি থাকতে হবে। উদ্যোক্তার জ্বালানি খাতে অথবা ভারী শিল্পে প্রকল্প বাস্তবায়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বিদেশি অভিজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগেও বাস্তবায়ন করতে পারবেন।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














