কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ  ইস্যু নিয়ে নতুন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০১৯-০৭-০৬ ১৬:৩৪:১১


কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ  ইস্যু নিয়ে নতুন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহি পরিচালক ও মূখপাত্র মো. সাইফুর রহমান । যেটা দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) এর কাউন্সিল সভায় কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের নিরীক্ষক আহমেদ অ্যান্ড আক্তারের লাইসেন্স নবায়ন না করার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে তৈরী হয়েছে।

আজ শনিবার (০৬ জুলাই) বিএসইসির নিজস্ব কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএসইসির আরেক নির্বাহি পরিচালক ফরহাদ আহমেদ বলেন, যেকোনো ইস্যু একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসে। এক্ষেত্রে অনেক প্রসেস থাকে। পৃথিবীর কোন রেগুলেটর বলতে পারবে না, একটি কোম্পানিটি শেয়ারবাজারে আসলে ভালো করবে বা খারাপ করবে। সব কোম্পানিই যে সফলতার সাথে চলবে, এটা কেউ বলতে পারবে না।

তিনি বলেন, কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ  নিয়ে আমাদের কাছে অনেক প্রশ্ন এসেছে, তবে বিষয়টি অফিশিয়ালি আমরা এখনো জানি না। অফিস খুললে বিষয়টি সর্ম্পক্যে বুঝা যাবে।

তিনি আরও বলেন, কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ ইস্যুতে এখন একটি পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। এইটার বিষয়ে এখন যারা (ডিএসই) আপত্তি দিচ্ছেন, তারা প্রথমে কি দিয়েছিলেন তা আপনারা (সাংবাদিক) চাইলেই জানতে পারবেন। এই কোম্পানিটি আসলেই খারাপ করবে নাকি ভালো করবে- সেটা আপনারা কি করে জানেন? এটা কেউ বলতে পারবে না।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (০৪ জুলাই) কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ ইস্যুতে অসহযোগিতার জন্য বিতর্কিত নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান আহমেদ অ্যান্ড আক্তারের নিরীক্ষা লাইসেন্স নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নেয় আইসিএবি। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি সব ধরনের কোম্পানির নিরীক্ষা কাজের যোগ্যতা হারিয়েছে।

এর আগে আইসিএবি’র বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ ইস্যুতে আইসিএবির রিভিউ কাজে সহযোগিতা করেনি আহমেদ অ্যান্ড আক্তার কর্তৃপক্ষ। আইসিএবির পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে রিভিউয়ের জন্য ৪ দফায় চিঠি দেওয়া হলেও কোম্পনিটি কোন সহযোগিতা করেনি।   যে কারনে আইসিএবি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানটির প্রাকটিসিং লাইসেন্স নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ।

আরো জানানো হয় ইতিমধ্যে, আহমেদ অ্যান্ড আক্তারের প্রাকটিসিং লাইসেন্স নবায়ন না করার এরইমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই), চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এবং বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে (আইডিআরএ) চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

এর আগে গত ২ জুলাই শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট কোম্পানির নিরীক্ষা কাজে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বিএসইসি। এর মাধ্যমে আহমেদ অ্যান্ড আক্তার শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আর্থিক হিসাব নিরীক্ষার যোগ্যতা হারিয়েছে।

সানবিডি/ এমএফইউ