টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন দূর্নীতিমুক্ত অর্থনীতি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০১৯-১১-১৫ ২০:১২:২৯


অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন,টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন দূর্নীতিমুক্ত অর্থনীতি। যে অর্থনীতিতে দূর্নীতি থাকে সেই অর্থনীতি টেকসই হতে পারে না। আমরা টেকসই উন্নয়ন করবো। সকল ধরনের দুর্নীতিকে বাদ দিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো। দূর্নীতির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন করা হবে।

আজ শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) মির্জাপুরের টাঙ্গাইলের কুমুদিনী কমপ্লেক্সে কুমুদিনী কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক আয়োজিত রণদা প্রসাদ সাহার ১২৩তম জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজের বিষয়টি যদিও অর্থমন্ত্রনালয়ের বিষয় নয়, এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। অর্থ মন্ত্রনালয়ের কাজ হলো অর্থ দেওয়া। পেঁয়াজের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যা চাইবে সব দেয়া হবে। আমার জানা মতে পেয়াজ নিয়ে সংকট তৈরী হওয়ার সাথে সাথে পেঁয়াজের উপর ইমপোর্ট ডিউটিও বাতিল করা হয়েছে। তাই পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রেও কোন বাধা থাকার কথা নয়। গতকাল প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে পেঁয়াজের সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, যে অর্থনীতিতে দূর্নীতি থাকে সেই অর্থনীতি টেকসই হতে পারে না। আমরা টেকসই উন্নয়ন করবো। সকল ধরনের দুর্নীতিকে বাদ দিয়ে সামনে এগিয়ে যাবো। দূর্নীতির ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত জিরো টলারেন্স বাস্তবায়ন করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা, সফল রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়নের কারিগর এবং উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার।

তিনি বাঙালি জাতিকে নতুন এক আশা দেখিয়েছেন, বাংলাদেশকে একটি উন্নত দেশে উন্নীত করার। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হয়েছে, যার মাধ্যমে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালে বিশিষ্ট দানবীরে এই রণদা প্রসাদ সাহাকে অপহরণ ও হত্যা করায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন, জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচারসহ জাতীয় জীবনের বহু ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জিত হয়েছে তার হাত ধরেই। এরপর অর্থমন্ত্রী কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজ, ভারতেশ্বরী হোমস, নার্সিং কলেজ সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের খোজ খবর নেন।