জমে উঠেছে রস ও গুড়ের বাজার

সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৯-১২-২৪ ১৬:৫৫:৩১


কেউ মাটির হাঁড়িতে নিয়ে এসেছেন খেজুরের রস, কেউ নিয়ে এসেছেন তালের গুড়। অনেকে সিলভারের পাতিলে করে নিয়ে এসেছেন গোলের গুড়। ক্রেতারা এসেছেন প্লাস্টিকের ছোট পাত্র কিংবা ছোট মাটির হাঁড়ি নিয়ে। চলছে বেচা-কেনা।

শীত মৌসুমে রস ও গুড়ের সরবরাহ ও চাহিদা বেশি থাকায় হাটের দিন মঙ্গলবার পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের লঞ্চঘাট সংলগ্ন আড়ৎ পট্টি এলাকায় ক্রেতা ও বিক্রেতাদের হাঁকডাকে জমে উঠেছে রসের বাজার।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, আড়ৎ পট্টি সংলগ্ন বয়াতি হোটেলের সামনে সারিবদ্ধভাবে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে বসে আছেন রস ও গুড় বিক্রেতারা। প্রত্যেকটি পাতিল সোনালী, হালকা লাল, চকচকে ও উজ্জ্বল সাদাটে সুস্বাদু গুড়ে ভর্তি। অনেকের পাতিলে খেজুর রস।

প্রতি কেজি খেজুর রস বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে। খেজুর গুড় ১৫০, তালের গুড় ১০০ এবং গোলের গুড় ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এবছর উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় বাজারে গুড়ের সরবরাহ তুলনামূলক কম। তবে চাহিদা বেশি। খেজুর গুড়ের প্রতি ক্রেতাদের বেশি আকর্ষণ লক্ষ করা গেছে।

নীলগঞ্জ থেকে আসা গুড় ব্যবসায়ী উত্তম কুমার জানান, রস সংগ্রহ করে তাপালে (টিনের গুলি) করে জাল দিয়ে (গরম করে) তৈরি করা হয় গুড়। জ্বালানির দাম অনেক বেড়ে গেছে। তাই প্রতি কেজি গুড় তৈরিতে খরচ হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। কিন্তু ক্রেতারা কম দাম হাঁকছেন।

আরেক গুড় ব্যবায়ী নাহিদ সরকার জানান, এখন খেজুর, তাল ও গোলগাছের পরিমাণ কমেছে। তাই গুড় উৎপাদনও কমেছে।

কলাপাড়া ব্যবসায়ী সমিতির কোষাধ‌্যক্ষ ফরিদ উদ্দিন বিপু জানান, প্রতি শীত মৌসুমে গুড় ব্যবসীদের ভিড় জমে এই বাজারে। পাশের উপজেলার ব্যবসায়ীরাও এখানে ভিড় জমান। সূত্র: রাইজিংবিডি
সানবিডি/ঢাকা/এসএস