চট্টগ্রামে হচ্ছে ২৫টি বহুমুখী আশ্রয়কেন্দ্র

সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০১৯-১২-২৯ ২১:১৯:৪২


বিশ্বব‌্যাংকের অঙ্গ সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) এবং সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ‘বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্প (এমডিএসপি)’ বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম জেলায় ২৫টি বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে ব্যয় হবে ১০৭ কোটি ৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

সূত্র জানায়, প্রকল্পে মোট বরাদ্দ রয়েছে ৩ হাজার ১৭০ কোটি ৭৬ রাখ টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক দেবে ৩ হাজার ১৬০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। বাকি ১০ কোটি টাকার যোগান দেবে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পে পূর্ত কাজের জন্য সংস্থান রয়েছে ২ হাজার ৯৬২ কোটি ৫১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। প্রকল্পের দাপ্তরিক প্রাক্কলিত মূল্য ১১৭ কোটি ৫১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে আইপিপি কর্তৃক সুপরিশকৃত মূল্য ১০৭ কোটি ৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

সূত্র জানায়, প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হবে। দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরকার স্ট্রিল লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাব পরবর্তী সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

ক্রয় প্রস্তাবের জন্য তৈরি সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, এলজিইডি কর্তৃক গ্রহীত ‘বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্প’ গত ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর একনেকের বৈঠকে অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে প্রকল্পটির সংশোধিত ডিপিপি গত ২২ অক্টোবর তারিখে একনেকের বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় ৫৫৬টি নতুন বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, ৪৫০টি পুরাতন আশ্রয়কেন্দ্র মেরামত এবং ১৮২ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি ডিপিপিতে বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান রয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় একটি প্যাকেজের মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেলায় ২৫টি (চন্দনাইশে দুটি, ফটিকছড়িতে চারটি, হাটহাজারিতে দুটি, কর্ণফুলীতে চারটি, লোহগড়ায় দুটি, মীরসরাইয়ে পাঁচটি, রাঙ্গুনিয়ায় দুটি, রাউজানে দুটি এবং সাতকানিয়ায় দুটি) বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পের ঋণচুক্তি অনুসারে নির্ধারিত ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের গাইডলাইন অনুসরণ করা হয়েছে এবং একক কাজকে একাধিক প্যাকেজে বিভক্ত করা হয়নি।

এ প্রকল্পের জন্য চলতি বছর ৫ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন পত্রিকা এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে প্রাক-দরপত্র বৈঠক শেষে ১১ এপ্রিল দরদাতাদের সামনে দরপত্র খোলা হয়। এতে মোট আটটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। সবগুলো দরপত্র রেসপন্সিভ হয়। এর মধ্য থেকে সর্বনিম্ন দারদাতা মেসার্স সরকার স্ট্রিল লিমিটেডের দরপত্র বিশ্বব্যাংকের অনুমোদনের জন্য আইপিপি কর্তৃক সুপারিশ করা হলে বিশ্বব্যাংক তাতে সম্মতি দেয়। প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাবে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পাওয়া গেলে স্থানীয় সরকার বিভাগ পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে সূত্র জানিয়েছে।বিশ্বব‌্যাংকের অঙ্গ সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) এবং সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ‘বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্প (এমডিএসপি)’ বাস্তবায়ন করা হবে। এ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম জেলায় ২৫টি বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে ব্যয় হবে ১০৭ কোটি ৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

সূত্র জানায়, প্রকল্পে মোট বরাদ্দ রয়েছে ৩ হাজার ১৭০ কোটি ৭৬ রাখ টাকা। এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক দেবে ৩ হাজার ১৬০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। বাকি ১০ কোটি টাকার যোগান দেবে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পে পূর্ত কাজের জন্য সংস্থান রয়েছে ২ হাজার ৯৬২ কোটি ৫১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। প্রকল্পের দাপ্তরিক প্রাক্কলিত মূল্য ১১৭ কোটি ৫১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। ২৫টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে আইপিপি কর্তৃক সুপরিশকৃত মূল্য ১০৭ কোটি ৫ লাখ ১৪ হাজার টাকা।

সূত্র জানায়, প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি অনুসরণ করে বাস্তবায়ন করা হবে। দরপত্রে সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সরকার স্ট্রিল লিমিটেড প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাব পরবর্তী সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

ক্রয় প্রস্তাবের জন্য তৈরি সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, এলজিইডি কর্তৃক গ্রহীত ‘বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র প্রকল্প’ গত ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর একনেকের বৈঠকে অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে প্রকল্পটির সংশোধিত ডিপিপি গত ২২ অক্টোবর তারিখে একনেকের বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০১৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়। প্রকল্পের আওতায় ৫৫৬টি নতুন বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, ৪৫০টি পুরাতন আশ্রয়কেন্দ্র মেরামত এবং ১৮২ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি ডিপিপিতে বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান রয়েছে।

এই প্রকল্পের আওতায় একটি প্যাকেজের মাধ্যমে চট্টগ্রাম জেলায় ২৫টি (চন্দনাইশে দুটি, ফটিকছড়িতে চারটি, হাটহাজারিতে দুটি, কর্ণফুলীতে চারটি, লোহগড়ায় দুটি, মীরসরাইয়ে পাঁচটি, রাঙ্গুনিয়ায় দুটি, রাউজানে দুটি এবং সাতকানিয়ায় দুটি) বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্পের ঋণচুক্তি অনুসারে নির্ধারিত ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের গাইডলাইন অনুসরণ করা হয়েছে এবং একক কাজকে একাধিক প্যাকেজে বিভক্ত করা হয়নি।

এ প্রকল্পের জন্য চলতি বছর ৫ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন পত্রিকা এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে প্রাক-দরপত্র বৈঠক শেষে ১১ এপ্রিল দরদাতাদের সামনে দরপত্র খোলা হয়। এতে মোট আটটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। সবগুলো দরপত্র রেসপন্সিভ হয়। এর মধ্য থেকে সর্বনিম্ন দারদাতা মেসার্স সরকার স্ট্রিল লিমিটেডের দরপত্র বিশ্বব্যাংকের অনুমোদনের জন্য আইপিপি কর্তৃক সুপারিশ করা হলে বিশ্বব্যাংক তাতে সম্মতি দেয়। প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগ সংক্রান্ত প্রস্তাবে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পাওয়া গেলে স্থানীয় সরকার বিভাগ পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে সূত্র জানিয়েছে।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস