পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে ২০১৯ সালে ধস নামে
পুঁজিবাজার ডেস্ক আপডেট: ২০২০-০১-০১ ০৮:১৩:৫০
পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহে এক প্রকার ধস নামে ২০১৯ সালে। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) বন্ধ থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ২০১৯ সালে আইপিও ও রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিন্ম পৌঁছেছে।
তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৯ সালে আইপিও ও রাইট শেয়ার ইস্যু করে পুঁজিবাজার থেকে ৬৪১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে এ দুই মাধ্যমে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয় ৬৫৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ হিসাবে বছর ব্যবধানে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ কমেছে ১৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা। কেবল ২০১৮ সালের তুলনায় নয়, ২০০৯ সাল বা বিগত ১১ বছরের মধ্যে আইপিও ও রাইট শেয়ারের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে এত কম অর্থ সংগ্রহ আর হয়নি।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে আইপিও ও রাইট শেয়ারের মাধ্যমে এক হাজার ৪৪১ কোটি ৩৯ লাখ, ২০১৬ সালে ৯৫০ কোটি ১২ লাখ, ২০১৫ সালে ৬৭৫ কোটি ৭২ লাখ, ২০১৪ সালে তিন হাজার ২৬৩ কোটি ৮৮ লাখ, ২০১৩ সালে ৯১০ কোটি ৮০ লাখ, ২০১২ সালে এক হাজার ৮৪২ কোটি ৯৭ লাখ, ২০১১ সালে তিন হাজার ২৩৩ কোটি ৬৫ লাখ, ২০১০ সালে তিন হাজার ৩৯০ কোটি ৩৩ লাখ এবং ২০০৯ সালে ৯১৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা সংগ্রহ করে বিভিন্ন কোম্পানি।
২০১৯ সালে আইপিও ও রাইট শেয়ার এ দুই পদ্ধতির সম্মিলিত অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ কমলেও শুধু আইপিও হিসাবে নিলে ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে রিং শাইন টেক্সটাইল। কোম্পানিটি আইপিও’র মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। ২০১৮ সালের তুলনায় আইপিও’র মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের পরিমাণ বাড়লেও ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে আইপিও দেয়া বন্ধ রয়েছে। অর্থাৎ বছরের মাত্র চার মাস আইপিও দেয়া হয়েছে। বাকি আটমাস আইপিও বন্ধ রয়েছে।
আর বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে তিনটি কোম্পানি ৩০৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। অর্থাৎ আইপিও’র দুই পদ্ধতিতে আটটি কোম্পানি ৫৫২ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। আগের বছর ফিক্সড প্রাইস পদ্ধতিতে ১১টি কোম্পানি ২৬৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। আর বুক বিল্ডিংয়ে দুটি কোম্পানি ২৮০ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এ হিসাবে দুই পদ্ধতিতে আইপিও’র মাধ্যমে ১৩টি কোম্পানি ৫৪৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। অপরদিকে ২০১৯ সালে রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো ৮৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা সংগ্রহ করেছে। আগের বছর এর পরিমাণ ছিল ১০৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ হিসাবে রাইট শেয়ারের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহের পরিমাণ কমেছে ১৯ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
সানবিডি/এসকেএস






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













