শেষ হলো ক্যালিগ্রাফি কর্মশালা

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০২০-০১-০২ ১৪:১৩:৪৮


বাংলাদেশী ক্যালিগ্রাফিকে বিশ্বের দরবাবে পৌছে দেয়ায় প্রত্যয় নিয়ে শেষ হল এম.এম আর্ট ফাউন্ডেশনের ৫দিন ব্যাপী কর্মশালা।

ক্যালিগ্রাফি কর্মশালা সম্পর্কে এম এম আর্ট ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান প্রখ্যাত মাহবুব মুর্শিদ বলেন, আমি এই ক্যালিগ্রাফি বাংলাদেশের গন্ডি পেরিয়ে আর্ন্তজাতিক পরিমন্ডলে পৌছে দিতে চাই। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে আমার পাশা-পাশী কাজ করতে হবে। আমি একা এ কাজ করতে পারবো না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল ড্রয়িং রুমে সাধারণ পেন্টিং এর পাশে আমাদের একটা পেন্টিং থাকতে হবে। এই মিশন নিয়ে আমাদের কাজ, আমরা সবাই ভালভাবে কাজ করতে পারলে, আমরা অবশ্যই সাকসেস হবো।

তিনি বলেন, আমাদের আসন সংখ্যার সীমাবদ্ধতার কারণে আর নতুন কোন শিক্ষার্থীকে রেজিষ্ট্রেশন করা সম্ভব হয়নি। তবে আশার কথা হলো, নিরাশ হওয়ার কিছু নেই, খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে ৮ম ক্যালিগ্রাফি কর্মশালা ২০২০ এর তারিখ ঘোষনা করা হবে।

আয়োজন কমিটির অন্যতম সদস্য সুলতানা মিমি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের ব্যপারে যতেষ্ট আন্তরিক। শেখার বিষয়ে যেকোন শিক্ষার্থী আমাদের কাছে আসলে যথা সম্ভব সাহায্য করবো।

তিনি বলেন, আমাদের কোন শিক্ষার্থী শিক্ষার কোন উপকরনের ব্যপারে বললে আমরা তাকে তা এনে দিয়ে সাহায্য করবো। সোজা কথা সহযোগিতার হাত আমাদের সদা প্রসারিত।

শিক্ষার্থী শোয়াবে মাহমুদ বলেন, ক্যালিওগ্রাফি কর্মশালাটি খুবই যুগপোযোগী। এই কর্মশালার মাধ্যমে আরবি ভাষাটি মানুষের কাছে সহজবোধ্য ও নান্দনিক হবে। আরবীর পাশা-পাশী আমরা আমাদের মাতৃভাষার ক্যালিগ্রাফিও শিখছি, এটা আমার কাছে ক্যালিওগ্রাফির জগতে নতুন মাত্রা মনে হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটার মাধ্যমে আমরা যেভাবে ক্যালিওগ্রাফি শিখতে পারবো, তেমনি এর মাধ্যমে আমাদের হ্যান্ড রাইটিংও ভাল হবে।

ক্যালিগ্রাফি প্রশিক্ষনার্থী মো. খাইরুল ইসলাম বলেন, শ্রদ্ধেয় মাহবুব মুর্শিদ স্যার  খুবই আন্তরিক ভাল মনের মানুষ। এমন একজন গুরুর কাছে ক্যালিগ্রাফি শিখতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে। সেই সাথে আরও বলতে চাই যে, ক্যালিগ্রাফি নিয়ে স্যারের যে মহান লক্ষ্য মহান আশা সেটা আমরা বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে দিব।

প্রশিক্ষনার্থীরা হলো, সাহাদাত সাঈদ, শোয়েব মাহমুদ, আবু সালেহ মো. সেকেন্দার, খাইরুল ইসলাম, আলী শাওন, মোহাম্মাদ ইউসুফ, ফারজানা জেরিন, হাসান সাইফি, সায়মা সাদিয়া, জিহাদুল ইসলাম, ওমর ফারুখ, হাদিউজ্জামান তানযীল,  , তাসনিম, আবদুর রহিম, আফসানা মিমি, সারমিন রূপা, জিনিয়া, ইউসা হোসাইনি, জালিয়া ইসরাত জেরিন, মুসলিমা মিলি, মুহাম্মাদ সাজ্জাদ হুসাইন, নুসাইবা তাবাসসুম প্রমুখ।

কো-অর্ডিনেটর হিসেবে আরো যারা উপস্থিত ছিলেন, মো. জামিল হোসেন, ইবনে মোবারক (মাহমুদ), উসামা প্রমুখ।

 

সানবিডি/ঢাকা/এসএস