সকল আরব নেতাদের প্রতি লজ্জা: এরদোয়ান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক প্রকাশ: ২০২০-০২-০১ ১৪:৫৮:১২
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কথিত শতাব্দীর সেরা শান্তি চুক্তি উপস্থাপন করেন।ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত ‘মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা’ ঘোষণায় সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান।
মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে পাশে নিয়ে ট্রাম্প ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত নিয়ে ‘শতাব্দীর সেরা চুক্তি’ হিসেবে পরিচিত শান্তি পরিকল্পনাটি ঘোষণা করেন।
তবে ফিলিস্তিনি জনগণ পরিকল্পনাটি নাকচ করেছে। এটির মধ্য দিয়ে ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি দখলদারি আরও চূড়ান্ত রূপ নেবে বলে খোদ মার্কিন আইনপ্রণেতারা অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে রয়টার্স জানায়, ফিলিস্তিন নিয়ে আরব দেশগুলোর অবস্থান অত্যন্ত শোচনীয় বলে এরদোয়ান মন্তব্য করেন।
ট্রাম্পের পরিকল্পনা নিয়ে এসব দেশের কথা বলার ব্যর্থতা ফিলিস্তিনিদের ‘গুরুতর কোনো পরিণতির’ জন্য দায়ী থাকবে।
আঙ্কারায় ক্ষমতাসীন একেপি পার্টির সদস্যদের এক বৈঠকে এরদোয়ান বলেন, ‘ফিলিস্তিন নিয়ে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনায় মুসলিম বিশ্বের বিবৃতিতে দেখলে আমার নিজেদের প্রতি করুণা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘সৌদি আরব- বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তুমি নীরব। কখন তুমি কথা বলবে? ওমান, বাহরাইন, আবুধাবি নেতৃত্বরাও একই আচরণ করছে। এই সব আরব নেতা বরং সেখানে গিয়ে তাদের প্রশংসা করে। তাদের প্রতি লজ্জা।’
প্রসঙ্গত, ট্রাম্পের পরিকল্পনাটিতে জেরুজালেমকে ইসরায়েলের অবিচ্ছেদ্য রাজধানী রাখার অঙ্গীকার আছে। এতে ট্রাম্প একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রেরও প্রস্তাব করেছেন এবং পশ্চিম তীরের ইহুদি বসতির ওপর ইসরায়েলের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়ার পরিকল্পনাও রেখেছেন।
তবে ফিলিস্তিনিদের দাবি, এই পরিকল্পনাতে তাদের নিজস্ব রাষ্ট্রের সংকল্প প্রতিফলিত হয়নি। এ ছাড়া জেরুজালেমকেও তাদের কাছ থেকে কেড়ে নেয়া হয়েছে।
এদিকে মার্কিন আইনপ্রণেতারাও ট্রাম্পের এই শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থিতার দৌড়ে এগিয়ে থাকা শীর্ষ রাজনীতিবিদ বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, ‘ইসরায়েলি দখলদারির অবশ্যই অবসান ঘটাতে হবে এবং নিরাপদ ইসরায়েল রাষ্ট্রের পাশে ফিলিস্তিনিদের তাদের সংকল্পিত নিজস্ব স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু সেটির কাছাকাছিই নেই ট্রাম্পের এই তথাকথিত শান্তি চুক্তি। এটি কেবল সংঘাতকে চিরস্থায়ী করবে। এটি অগ্রহণযোগ্য।’
সানবিডি/এনজে






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














