হুদার স্ত্রী ও দুই কন্যার মামলায় প্রতিবেদন ১০ মার্চ

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২০-০২-০৪ ১৫:৩২:০৫ || আপডেট: ২০২০-০২-০৪ ১৫:৩২:০৫

লন্ডনে পৌনে সাত কোটি টাকা অর্থপাচারের মামলায় ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সিগমা হুদা ও দুই কন্যা শ্রাবন্তী আমিনা হুদা এবং অন্তরা সেলিমা হুদার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আগামী ১০ মার্চ ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার মামলাটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা দুদক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।

এজন্য ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ প্রতিবেদন দাখিলের এ তারিখ ধার্য করে দেন।

গত ৯ জানুয়ারি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল্লাহ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেন।

দুই মামলাতেই সিগমা হুদাকে আসামি করা হলেও মেয়েদের পৃথক মামলায় আসামি দেখানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলায় জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে প্রায় পৌনে সাত কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, তারা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে তিন লাখ ৮০ হাজার পাউন্ড স্টার্লিংয়ের সমান অর্থাৎ চার কোটি ছয় লাখ ৬০ হাজার টাকা যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করেন। এ অর্থ দিয়ে ২০০৩ সালের ২৬ জুন লন্ডনের ওয়াটার গার্ডেনসের বারউড প্যালেসে একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন।

সিগমা হুদা ও শ্রাবন্তী আমিনা হুদার বিরুদ্ধে অপর মামলার এজাহারে বলা হয়, তারা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত দুই লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড স্টার্লিংয়ের সমপরিমাণ অর্থাৎ দুই কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করে যুক্তরাজ্যে পাচার করেন।

এই টাকা দিয়ে তারা লন্ডনের হেলনি কোর্টের ডেনহাম রোডে একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন। মামলায় বলা হয়েছে ২০০৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ডেনহাম রোডের ফ্ল্যাটটি তারা কিনেছেন।

২০০৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার দায়েরকৃত সম্পদ বিবরণীতে তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের সম্পদ বিবরণীতে ফ্ল্যাট ক্রয়ের তথ্য গোপন করেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস