রফতানিতে কাটছে না বিপর্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রকাশ: ২০২০-০২-০৫ ০৯:৩৮:০০ || আপডেট: ২০২০-০২-০৫ ০৯:৩৮:০০

দেশের রফতানি খাতের বিপর্যয় কাটছে না। গত আগস্ট মাস থেকে টানা বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এ খাতটি। গত ডিসেম্বরে ৩ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি হলেও নতুন বছরের জানুয়ারিতে ফের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) ২ হাজার ২৯২ কোটি (২২.৯২ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ২১ শতাংশ কম। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময়ে ২ হাজার ৪১৮কোটি (২৪.১৮ বিলিয়ন) ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছিল। মঙ্গলবার(৪ ফেব্রুয়ারি) রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এর হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, জানুয়ারি মাসে ৩৬৭ কোটি ৯৭ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ।

২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে আগের অর্থ বছরের (২০১৮-১৯) জুলাইয়ের চেয়ে সাড়ে ৮ শতাংশ বেশি রফতানি আয় হয়েছিল। তবে আগস্ট থেকে নভেম্বর প এই আয় কমতে থাকে। গত আগস্ট মাসে ২০১৮-১৯ আগস্টের চেয়ে সাড়ে ১১ শতাংশ রফতানি আয় কম হয়। সেপ্টেম্বরে কমে ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ। অক্টোবরে কমে ১৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। নভেম্বরে কমে প্রায় ১১ শতাংশ।

ইপিবির তথ্য বলছে, সাত মাসে (জুলাই-জানুয়ারি) তৈরি পোশাক রফতানি থেকে আয় হয়েছে এক হাজার ৯০৬ কোটি ৩২ লাখ ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ কম। চামড়া এবং চামড়াজাত পণ্য রফতানি কমেছে ১১ শতাংশ। হিমায়িত মাছ রফতানি কমেছে ৬ দশমিক ৫৮ শতাংশ। স্পেশালাইজড টেক্সটাইল রফতানি কমেছে ১০ শতাংশ।

তবে জুলাই-জানুয়ারি সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি বেড়েছে ২১ শতাংশ। কৃষি পণ্য রফতানি বেড়েছে ৪ দশমিক ১৯ শতাংশ। ওষুধ রফতানি বেড়েছে ৮ দশমিক ১১ শতাংশ। এই সাত মাসে শাক-সবজি রফতানি বেড়েছে ১০৫ শতাংশ। হস্তশিল্প রফতানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। তামাক রফতানি বেড়েছে ১৬ শতাংশ।

প্রসঙ্গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে পণ্য রফতানির মোট লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫৫০ কোটি (৪৫.৫০ বিলিয়ন) ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে রফতানি করে ৪ হাজার ৫৩৫ কোটি ৮২ লাখ (৪০.৫৩ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ।