দৈনিক ৩০ লাখ ব্যারেল কমতে পারে বৈশ্বিক তেলের চাহিদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২০-০২-১১ ০৯:০২:৪৭ || আপডেট: ২০২০-০২-১১ ০৯:০৭:৪০

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের আক্রমনে টালমাটাল অবস্থা চীনের।এর প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক তেলের বাজারে।  আগে থেকেই অব্যাহত দরপতনে ভোগা পণ্যটির বাজারের অবস্থা এখন আরো টালমাটাল। চাহিদা কমছে অপ্রত্যাশিত হারে। কমছে দামও। এ পরিস্থিতির মধ্যেই গোল্ডম্যান স্যাকস জানিয়েছে, চলতি বছর জ্বালানি পণ্যটির বৈশ্বিক চাহিদা কমে এক দশকের বেশি সময়ের সর্বনিম্নে নামতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির পণ্যবাজার বিশ্লেষণ বিভাগের বৈশ্বিক প্রধান জেফ কারি সম্প্রতি বার্তা সংস্থা ব্লুমবার্গকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে এ সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন। খবর অয়েলপ্রাইসডটকম।

তিনি বলেন, চীন বিশ্বের শীর্ষ জ্বালানি তেল ভোক্তা ও পণ্যটির দ্বিতীয় শীর্ষ পরিশোধনকারী দেশ। ফলে দেশটির যেকোনো ধরনের অর্থনৈতিক পরিবর্তন খাতসংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে বিস্তর প্রভাব ফেলে। চলতি বছরে দেশটিতে পণ্যটির চাহিদা দৈনিক গড়ে ২০ থেকে ৩০ লাখ ব্যারেল কমে যেতে পারে। এর মধ্যে প্রথম প্রান্তিকেই (জানুয়ারি-মার্চ) আগের বছরের তুলনায় ২ লাখ ব্যারেল কমে দেশটিতে পণ্যটির চাহিদা দৈনিক গড়ে ১ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেলে নামতে পারে। বার্ষিক চাহিদা হ্রাসে যা ২০০৯ সালের পর সর্বনিম্ন।

এশিয়ার বৃহত্তম জ্বালানি তেল পরিশোধন কেন্দ্র হচ্ছে চীনের সিনোপেক করপোরেশন। চাহিদা হ্রাসের জেরে কোম্পানিটি চলতি মাসে জ্বালানি তেলের পরিশোধন দৈনিক গড়ে ৬ লাখ ব্যারেল কমিয়ে আনতে পারে, যা আগের মাসের তুলনায় ১২ শতাংশ কম এবং গত এক দশকের সর্বনিম্ন।

যার ফলে কমতির দিকে থাকতে পারে পণ্যটির বৈশ্বিক চাহিদা। জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদা দৈনিক গড়ে ৩ লাখ থেকে ৫ লাখ ব্যারেল কমে যেতে পারে। এদিকে চাহিদা হ্রাসের প্রভাব পড়বে পণ্যটির দামে। গোল্ডম্যান স্যাকস ধারণা করছে, বছরজুড়ে আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্টের দাম কমে ব্যারেলপ্রতি গড়ে ৬৩ ডলারে নামতে পারে।

সানবিডি/এনজে