জাপানে তৈরি পোশাক ও ওষুধ রফতানির সুযোগ
সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২০-০২-২০ ১৪:১১:২৬
জাপানে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির করার জন্য বাংলাদেশ-জাপান জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের উন্নয়নের অংশীদার। জাইকাসহ বেশকিছু সংস্থা বাংলাদেশে সুনামের সঙ্গে কাজ করছে। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশ বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রচুর সম্ভাবনা আছে। জাপান-বাংলাদেশ জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে, তা সমাধান করা সম্ভব।
এসময় জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করে উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্য সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে। তৈরি পোশাক ও ওষুধ জাপানে রফতানির সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশে হালকা যন্ত্রপাতি উৎপাদনে বেশ ভাল করছে, জাপান এ খাতে সহায়তা দিতে আগ্রহী। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকালে উভয় দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
টিপু মুনশি বলেন, জাপান বাংলাদেশকে ডিউটি ও কোটা ফ্রি বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করছে। জাপানের প্রতি বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশে জাপানের ব্যবসা-বাণিজ্যও আছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কিছুদিনের মধ্যে জাপান সফর করবেন। এ সময় বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা কমিশন এবং জাপানের জাপান ফেয়ার ট্রেড কমিশনের মধ্যে একটি এমওইউ (সমঝোতা স্মারক) স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, উভয় দেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য জাপানের জাপান এক্টটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশন (জেটরো) এবং বাংলাদেশের রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করা হচ্ছে। আশা করা যায় আগামী দিনগুলোকে বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অনেক বৃদ্ধি পাবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০০টি স্পেশাল ইকোনমিক জোন গড়ে তোলা হচ্ছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে অনেক দেশ বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে এগিয়ে এসেছে। জাপানেরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এগিয়ে এসেছে। গত বছর বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে জাপান থেকে। জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশে বাণিজ্যও বাড়ছে।
গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জাপানে বাংলাদেশের রফতানি ছিল ১১৩১ দশমিক ৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং আমদানি ছিল ১৮৬৯ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। গত বছর রফতানি বেড়ে এক হাজার ৩৬৫ দশমিক ৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে। একই সময়ে আমদানি হয়েছে এক হাজার ৮৫২ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।
জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘বাংলাদেশ ইজ অব ডুয়িং বিজনেস র্যাংকিয়ে এগিয়ে যাওয়ায় জাপান খুশি। জাপান আশা করে বাংলাদেশের জিডিপি ডবল ডিজিজে উন্নীত হবে। জাপান বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। জাপানের অনেক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে ব্যবসা-বাণিজ্য করছে। বাংলাদেশ চাইলে জাপানের সঙ্গে এফটিএ (মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি) করতে পারে।’






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














