নোবিপ্রবি উপাচার্যকে নিয়ে সাবেক উপাচার্যের বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০২০-০৭-১৪ ১৭:২৮:৪২
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এস এ টেলিভিশনে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ দিদার-উল-আলম-কে নিয়ে সাবেক উপাচার্যের কল্পনাপ্রসূত বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক- কর্মকর্তাদের সংগঠন সমূহ।
নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি, আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন নীল দল এবং নোবিপ্রবি অফিসার্স এসোসিয়েশন- এই তিন সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিন্দা জানানো হয়। এছাড়াও নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জনসংযোগ কর্মকর্তা ইফতেখার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন উপাচার্য ড. মো. দিদার-উল-আলম।
বিভিন্ন সংগঠনসমূহের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিগুলোতে অত্যন্ত ক্ষোভের সংগে জানানো হয় যে, গত ৯ জুলাই ২০২০ এস এ টেলিভিশনের একটি টকশোতে দুর্নীতি প্রসংগে বলতে গিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্যকে ইংগিত করে অনাকাঙ্ক্ষিত একটি বক্তব্য দেন সাবেক উপাচার্য।
“মনে করেন যে, আমি একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলাম। বলা যায় যে, চল্লিশ বছর আমাকে চিনে সবাই। আমারটা কিন্তু এজেন্সিতে যাচাই হয়েছে। আর দেখা যায় যে, বাংলাদেশ ই মানে না, আওয়ামীলীগ এর লোক তো নই -ই, তাকে যেয়ে ওখানে যে উপাচার্য করা হলো, এই ফাইলটা কিন্তু সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হাতে গিয়ে সাইন হয়েছে। এটা কিন্তু আর এজেন্সিতে গেলো না….।”- এরকমই ছিলো সাবেক উপাচার্যের বক্তব্যটি।
বিজ্ঞপ্তিগুলোতে উল্লেখ করা হয় যে , নোবিপ্রবির বর্তমান উপাচার্যের সম্পর্কে মিথ্যা, বানোয়াট তথ্য দিয়ে তিনি বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য একজন ব্যক্তি নন, একটি প্রতিষ্ঠান। বর্তমান মাননীয় উপাচার্য সম্পর্কে সাবেক উপাচার্য মহোদয় কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে শুধু একটি প্রতিষ্ঠানকে খাটো করেননি, তিনি নোবিপ্রবিসহ একইসাথে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তাদেরকে জাতির সামনে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন।
এছাড়াও, গত ৮ মে ২০২০ নোবিপ্রবির জনসংযোগ দপ্তরের একটি পোস্টে সাবেক উপাচার্য ড.এম অহিদুজ্জামান কুয়েতে গ্রেফতার হওয়া লক্ষীপুর ০২ আসনের বিতর্কিত সাংসদ জনাব কাজী শহীদ ইসলাম পাপলু ও তার স্ত্রী জনাব কাজী সেলিনা ইসলাম এম.পি এবং সম্প্রতি দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ সাহেদের সংগে মিলিয়ে মাননীয় উপাচার্য মহোদয়কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। এমন অনভিপ্রেত বক্তব্যের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানহানি করায় এবং অধ্যাপক এম. অহিদুজ্জামানের বক্তব্য অনভিপ্রেত ও অত্যন্ত দুঃখজনক বিধায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক- কর্মকর্তাদের সংগঠন সমূহ তার বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













