বড়পুকুরিয়ায় কয়লা আত্নসাৎ

খনির সাবেক এমডিসহ ২২ কর্মকর্তার জামিন নামঞ্জুর

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২১-০১-১৩ ১৭:০২:৩১ || আপডেট: ২০২১-০১-১৩ ১৭:০৫:৩৪

দিনাজপুরে অবস্থিত বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার কয়লা (এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯৯ মেট্রিক টন) আত্নসাতের অভিযোগে খনির সাবেক ছয় ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ২২ জনকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। আজ বুধবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে মামলার চার্জ গঠনের দিন ওই কর্মকর্তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে তাদের আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন দিনাজপুর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল করিম।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর  আদালতের পুলিশ পরিদর্শক ইসরাইল হোসেন।

এ ব্যাপারে মামলা সূত্রে জানা যায়, বিগত ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯২ মেট্রিক টন কয়লা চুরি হয় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে। যার আনুমানিক মূল্য ২৪৩ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৫০১ টাকা ৮৪ পয়সা। এই ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয় এবং কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। কয়লা গায়েবের ঘটনায় বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানির ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আনিসুর রহমান বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ২৪ জুলাই ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে পার্বতীপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি দুদকের তফশিলভুক্ত হওয়ায় দুদক কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। পরে মামলাটি দুদকের উপ-পরিচালক সামসুল আলম তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে তদন্ত করেন।

২০১৯ সালের ২৪ জুলাই সাবেক সাত ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলাটির চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হয়। চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই পর্যন্ত ঘাটতিকৃত এক লাখ ৪৩ হাজার ৭২৭ দশমিক ৯৯ মেট্রিক টন কয়লা আত্মসাতে জড়িত। আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। এই অভিযোগপত্রে এজাহার নামীয় ছাড়াও ৯ জনকে যুক্ত করা হয়। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা না থাকায় পাঁচ জনকে আসামি তালিকা থেকে থেকে বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়।

সানবিডি/এনজে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •