রাইট ও বোনাস শেয়ার সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত বিএসইসির
পুঁজিবাজার ডেস্ক আপডেট: ২০২১-০২-১৫ ২০:০৮:২৭
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি ) ফ্লোর প্রাইস (Floor Price) বা গ্রহণযোগ্য সর্বনিম্ন মূল্য প্রথায় পরিবর্তন এনেছে। বোনাস বা রাইট ইস্যু করলে রেকর্ড ডেটের দরের সাথে সমন্বয় করা হবে। তবে এ ক্ষেত্রে সূচকে কোন ধরণের প্রভাব পড়বে না। সোমবার বিএসইসির ৭৬১তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতোদিন ফ্লোর প্রাইসের কারনে বোনাস বা রাইট শেয়ার ইস্যুর ক্ষেত্রে ঠিকমতো সমন্বয় হতো না। কারন এই ফ্লোরের কারনে বোনাস বা রাইট ইস্যু করা হলেও তা সমন্বয়ের মাধ্যমে কমার সুযোগ ছিল না। তবে সেই সমস্যা কাটিয়ে তুলতে বোনাস ও রাইট শেয়ার পরবর্তী সমন্বিত দরকে সংশোধীত ফ্লোর প্রাইস বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
বিএসইসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে বোনাস ও রাইট শেয়ার ঘোষণার রেকর্ড ডেট পরবর্তী ডাইলুশন প্রভাব বিবেচনায় কোম্পানির সমন্বিত মূল্য সংশোধিত ফ্লোর প্রাইস হিসেবে বিবেচিত হবে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর পুঁজিবাজারে ভয়াবহ দরপতন দেখা দিলে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের সর্বনিম্ন মূল্য বেঁধে দিয়ে গত বছর মার্চে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হয়। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে ফ্লোর প্রাইস নিয়ে বিতর্ক তৈরি হচ্ছিলো। বিশেষ করে কোম্পানির বোনাস লভ্যাংশ ও রাইট শেয়ার ইস্যুর পরও ফ্লোর প্রাইসের কারণে প্রকৃত দর সমন্বয় হচ্ছিলো না। এমন পরিস্থিতিতে ফ্লোর প্রাইস রিভিউ করার সিদ্ধান্ত নিলো কমিশন। তবে সমন্বয়ের পর যে দর নির্ধারণ হবে তা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির প্রাইস ফ্লোর হিসেবে বিবেচিত হবে। বর্তমানের ফ্লোর প্রাইসের শুধু এ অংশটি রিভিউ হবে।
ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণের ক্ষেত্রে গত বছর ২২ মার্চের আগের পাঁচ দিনের গড় বাজারমূল্য বিবেচনায় নেওয়া হয়। তালিকাভুক্ত সব সিকিউরিটিজের ক্ষেত্রেই এ দর বেঁধে দেওয়া আছে, যার নিচে কোনো শেয়ারের দাম নামবে না।
বর্তমানে অন্তত ৯২টি সিকিউরিটিজ ফ্লোর প্রাইসে আটকে আছে। প্রায় ১১ মাস আগে ফ্লোর প্রাইস আরোপ করা হলেও বর্তমানে ৯২টি কোম্পানির মধ্যে অধিকাংশেরই কোনো লেনদেন হচ্ছে না। ক্রেতা না থাকায় দিনের পর দিন এসব শেয়ারের দর অপরিবর্তিত থাকছে। এসব কোম্পানিতে বিনিয়োগকারীদের হাজার হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ আটকে রয়েছে। তারল্যের বাজারে বিনিয়োগকারীরা চাইলেও এসব শেয়ার বিক্রি করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে যেসব কোম্পানি লভ্যাংশ হিসেবে বোনাস ঘোষণা করেছে, ফ্লোর প্রাইসের কারণে দর সমন্বয় না হওয়ায় ক্রেতা সংকট পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।
এ বিষয়ে বিএসইসির মূখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সানবিডিকে বলেন, রাইট বা বোনাস ইস্যু করলে সর্বশেষ রেকর্ড ডেট অনুযায়ী ফ্লোর প্রাইস নির্ধারণ হবে। তবে এর জন্য সূচকে কোন প্রভাব পড়বে না।
তিনি বলেন, যেমন এবিসি একটি কোম্পানি। এই কোম্পানি যদি ১০০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করে। রেকর্ড তারিখে কোম্পানির সর্বশেষ দর হলো ১০০০ টাকা। তাহলে এটি ৫০০ টাকায় ফ্রোর প্রাইস হবে।
পুঁজিবাজারের সব খবর পেতে জয়েন করুন
Sunbd News–ক্যাপিটাল নিউজ–ক্যাপিটাল ভিউজ–স্টক নিউজ
সানবিডি/এসকেএস/১৭:১১/১৫/২/২০২১






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














