হাতের পাশাপাশি প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎপাদিত পণ্যেও সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রকাশ: ২০২১-০৬-১৭ ২০:২৬:৫২ || আপডেট: ২০২১-০৬-১৭ ২০:২৬:৫২

হোগলা, খড়, আখ কিংবা নারিকেলের ছোবড়া, গাছের পাতা কিংবা খোল এবং গার্মেন্টস এর ঝুট কাপড় থেকে হাতের পাশাপাশি প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি করলে তার বিপরীতে নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে। আগে শুধুমাত্র হাতে তৈরির পণ্যের ক্ষেত্রে এই সুবিধা ছিল।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একাটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, নগদ সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় শিল্প নীতি অনুযায়ী উৎপাদিত প্রক্রিয়ায় হাতের পাশাপাশি প্রয়োজনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে। তবে প্রযুক্তি পুরোপুরি অটোমেশন হওয়া যাবে না। অর্থাৎ প্রযুক্তি ব্যবহারে শ্রমের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা থাকতে হবে।

হোগলা, খড়, আখ কিংবা নারিকেলের ছোবড়া, গাছের পাতা কিংবা খোল এবং গার্মেন্টস এর ঝুট কাপড় ব্যবহার করে হাতে তৈরি পণ্য রপ্তানি করলে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেয়া হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য কোন কোন পণ্য রপ্তানিতে কী হারে নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে, এই তালিকা প্রতি অর্থবছরে সরকার থেকে নির্ধারণ করে দেয়া হয়।

এদিকে হাতে কিংবা মেশিনে যে মাধ্যমেই হোক, পাটের বৈচিত্রকৃত (ডাইভারসিফাইড) পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে।

এছাড়া রপ্তানির জন্য উৎপাদিত পণ্যে ৫০ শতাংশের বেশি মূল্যমানের পাট ব্যবহৃত হতে হবে। অর্থাৎ উৎপাদিত কোন পণ্যের দাম ১০০ টাকা হলে তার মধ্যে ৫০ টাকার বেশি মূল্যমানের পাটের ব্যবহার থাকতে হবে।

আধুনিক প্রযুক্তি বের হওয়ায় হাতে তৈরি এসব পণ্য বর্তমানে মেশিনেও উৎপাদিত হচ্ছে। কিন্তু নগদ সহায়তা সংক্রান্ত নীতিমালায় ’হাতে তৈরি’ কথাটি থাকায় জটিলতা তৈরি হচ্ছিল।

এমন তথ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, এই সার্কুলারে বিষয়টি স্পষ্ট করে দেয়া হলো। এখন থেকে হাতের পাশাপাশি মেশিনে উৎপাদিত এসব পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে।

বর্তমানে পাটের বৈচিত্রকৃত পণ্য রপ্তানিতে ২০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেয়া হয়ে থাকে। পাটের সুতার ক্ষেত্রে এই হার ৭ শতাংশ এবং পাটজাত চুড়ান্ত দ্রব্যের ক্ষেত্রে নগদ সহায়তার হার ১২ শতাংশ।

সানবিডি/এএ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •