কলড্রপে গ্রাহককে জানানোর নির্দেশ

|| প্রকাশ: ২০১৬-০১-২৮ ১৮:২৫:৪৫ || আপডেট: ২০১৬-০১-২৮ ১৮:২৫:৪৫

taranaকলড্রপের পরিমাণ ও ক্ষতিপূরনের বিষয়ে গ্রাহককে অবহিত করার জন্য মোবাইলফোন অপারেটদের নির্দেশ দিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের মোবাইল ফোন অপারেটর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

প্রতি কলড্রপে এক মিনিট করে ক্ষতিপূরণ দিতে গত ১৯ জানুয়ারি অপারেটরদের নির্দেশনা পাঠায় বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন-বিটিআরসি। অপারেটররা এ নির্দেশনা কার্যকর করেছে কী না-জানতে চাইলে তারানা হালিম বলেন, নির্দেশনা পাঠানোর পরই তা কার্যকর হয়েছে। কলড্রপ হলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ক্ষতিপূরণের বিষয়ে গ্রাহককে এসএমএস করে জানাতে হবে। এ বিষয়ে তদারিক করা হবে। গ্রাহক অভিযোগ জানালে সে বিষয়ে বিটিআরসি ব্যবস্থা নেবে।’

এ বিষয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘কলড্রপ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আসলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে গুণগত সেবার বিষয়টি নিশ্চিত করতে একটি কল সেন্টার করা হচ্ছে। গ্রাহকরা সেই কল সেন্টারে অভিযোগ জানাতে পারবে। এছাড়াও এ বিষয়ে শিগগিরই একটি শর্টকোড চালু হচ্ছে, তাতেও  গ্রাহকরা অভিযোগ জানাতে পারবেন।’

টেলিযোগাযোগ সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিদিন না হলেও প্রতি সপ্তাহে গ্রাহককে কলড্রপ ও ক্ষতিপূরণের বিষয়ে জানাতে হবে।’ অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবির বলেন, ‘কলড্রপের বিষয়ে অপারেটররা প্রতিমাসে বিটিআরসিতে প্রতিবেদন জমা দেয়।’

২০১৪ সালে গ্রামীণফোনসহ কয়েকটি অপারেটর পরীক্ষামূলকভাবে কলড্রপে ক্ষতিপূরণ সেবাটি চালু করে। তবে পরে কোনো ঘোষণা ছাড়াই তা বন্ধ করে দেয়। প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্রতিটি কলড্রপের জন্য এক রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নিয়ম চালু করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা (আইটিইউ) নির্ধারিত মান অনুযায়ী কলড্রপের হার ৩ শতাংশের কম হলে তাকে মানসম্পন্ন সেবা ধরে ধরা হয়।

সানবিডি/ঢাকা/আহো