ঘুঘুর প্রতিবেশী বুলবুলির বাসায়ও দুই ছানা

নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রকাশ: ২০২২-০৫-১৬ ১৬:১৫:৫২ || আপডেট: ২০২২-০৫-১৬ ১৬:১৫:৫২

আলহামদুলিল্লাহ অফিসের পাশের বেলকুনিতে বসবাসরত অতিথিরা এখন পর্যন্ত অনেক ভালো আছে। ঘুঘু পাখির বাসার কাছেই যে বুলবুলি পাখি বাসা করেছে এবং সেখানেও যে দুই নবীন অতিথির আগমন হয়েছে সেটা আগে চোখে পড়েনি। অসনির প্রভাবে নিয়মিত বৃষ্টির মাঝেও তারা ভালো আছে। এগুলো আল্লাহর বা সৃষ্টিকর্তার অসীম নিদর্শনের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। তবে বিশ্বাসীদের জন্য এর মাঝে রয়েছে অনেক নিদর্শন। যদি সেটা আমরা বুঝি বা উপলব্ধি করতে পারি তবে সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির জটিল রহস্যের কিছুটা হলেও উপলব্ধি করতে পারব।

আধুনিকতা আমাদের চোখে এমন এক কাঠের চশমা পরিয়েছে যার কারণে আমরা কোন কিছুই সঠিকভাবে দেখতে পাই না। আমরা এখন একপ্রকার অন্ধ । আর যেটুকু আমরা দেখতে পাই সেটা আমরা আধুনিকতার এক ভ্রান্ত চিন্তা ভাবনার মধ্যে দিয়ে সংশয়বাদী মন নিয়ে সংকীর্ণ মানুষিকতার এক প্রচ্ছন্ন আলোর মধ্যে দিয়ে দেখি। তাই যে কোন ভালো বা মন্দ বিষয়ে আমরা এক সংকীর্ণ আবেগের বা চিন্তার বহিঃপ্রকাশ দেখি। যে গুলো লাইক, সস্তা কমেন্ট, ইমজি বা wow, super ইত্যাদি কিছু সস্তা চাটুকারী শব্দের মাধ্যমে প্রকাশ ঘটে এবং এর মাধ্যমেই ঐ সব ঘটনা বা বিষয়বস্তুর আবেদনের পরিসমাপ্তি ঘটে। আমরা  বা আমাদের মন  আবার আগের অসম্পূর্ণ বা বিভ্রানকর অস্থির মানুষিকতায় অবস্থান করে। আর এর মাধ্যমে আমরা সৃষ্টির সৌন্দর্য  কিছুটা উপলব্ধি করতে পারলেও সেটাকে উপভোগ করে পরিপূর্ণভাবে বিনোদিত হতে পারি না।  এটাই আধুনিকতার বা আধুনিক মানুষিকতার দৈন্যতা । আধুনিক মানুষিকতা আমাদের শুধু ভোগবাদে প্রভাবিত করে এবং আমাদের রুচিকে দ্রুত পরিবর্তন করে এবং আমাদের মনকে সবসময় অস্থির রাখে।

আর এই অস্থিরতা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ আধ্যাত্মিকতা । আর আধ্যাত্মিকতার সব চেয়ে উত্তম মাধ্যম হলো ধার্মিক হওয়া বা ধর্ম পালন করা। যে যেই ধর্মের মানুষ সে যদি তার নিজের ধর্মের কাছে ফিরে যেতে পারে তাহলে নিশ্চয় সে একটি শান্তিপূর্ণ জীবন পাবে এবং একটি শৃঙ্খলিত বা discipline life পাবে। যেটা আধুনিকতা নামক ধর্ম কোন দিন দিতে পারেনি বা পারবেনা।

নাজমুল আলম কাজল

সানবিডি/এনজে