রিমালের প্রভাব:

বিপৎসীমার ওপরে দক্ষিণের সব নদীর পানি

আপডেট: ২০২৪-০৫-২৭ ১৪:৩৭:৪৭


ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও জোয়ারে দক্ষিণাঞ্চলের সব নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নদীর পানি বিপৎসীমার সমান্তরাল ও কাছাকাছি দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

সোমবার (২৭ মে) সকালে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে জোয়ারে বিভাগের সকল নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সকল নদীর পানি বিপৎসীমার কয়েক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে করে বিভাগের নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকা তলিয়ে গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার দশমিক ৩৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, ঝালকাঠি জেলার বিষখালী দশমিক ৬৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, ভোলার দৌলতখান উপজেলার সুরমা-মেঘনা নদীর পানি দশমিক ২৫ সেন্টিমিটার, ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি দশমিক ৫২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, ভোলার তেঁতুলিয়া নদীর পানি দশমিক ১২ সেন্টিমিটার, উমেদপুর কচা নদীর পানি দশমিক ৫৪ সেন্টিমিটার ও পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর ২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তাজুল ইসলাম বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাব কেটে গেলেও জোয়ারের কারণে নদ-নদীতে যে পরিমাণ পানি বৃদ্ধি পেয়েছে তা নামতে দু’একদিন সময় লাগবে।

বরিশাল বিভাগীয় আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ বশির আহমেদ বলেন, ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণার পরপরই নদীর পাড় ও অনিরাপদ স্থানের মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া সকাল ৯টা পর্যন্ত বরিশালে ৫৪ মিলিমিটার, ঝালকাঠিতে ১৬৭ মিলিমিটার ও পিরোজপুরে ১১০ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।