ডুবতে থাকা পুঁজিবাজার টেনে তুলবে কোন কান্ডারী?

সানবিডি২৪ প্রকাশ: ২০২৫-০৫-১৪ ০৬:২৮:৩০


* ৯ মাসে সূচক কমেছে ৯০০ পয়েন্ট
* মূলধন কমেছে সাড়ে ৪৮ হাজার কোটি টাকা
* লেনদেন নেমেছে ৩০০ কোটিতে
*বন্ধ ৩০ হাজার বিও অ্যাকাউন্ট
* পুঁজিবাজার নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ৫ নির্দেশনা

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ধরণের নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে পুঁজিবাজার। পুঁজিবাজার যেমন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর মূলধন সংগ্রহের প্রধান উৎস, তেমনি সাধারণ মানুষের জন্য একটি বিকল্প বিনিয়োগের স্থান। তবে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বারবার আস্থার সংকট, দুর্বল নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং নীতিনির্ধারকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ফলে দেশের অর্থনীতিতে তেমন কোন অবদান রাখতে পারছেনা পুঁজিবাজার। বিনিয়োগকারীরা মনে করে বিএসইসির অদক্ষ্য ও অযোগ্য কমিশনের কারণে বেহাল দশা পুঁজিবাজারের। তাদের মতে যোগ্য লোক পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থায় নিয়োগ না পেলে এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের কোন পথ নেই।
বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুঁজিবাজারে এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য বিদেশী অভিজ্ঞ জনবল আনার নির্দেশ দিয়েছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনের অবসান হয় গত ৫ আগস্ট। এরপর তৎকালীন বিএসইসির চেয়ারম্যানসহ পুরো কমিশন পদত্যাগ করলে পুঁজিবাজার হয়ে পড়ে অভিভাবকহীন। অভিভাবকহীন অবস্থায়ও সেই সময়ে প্রতিদিন বাড়তে থাকে সুচক ও লেনদেন। নতুন করে স্বপ্ন বুনতে থাকেন বিনিয়োগকারী, স্টেইকহোল্ডারসহ সংশ্লিষ্টরা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান অর্থনীতিবিদ ও পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান এম মাশরুর রিয়াজ। বিএসইসির কিছু কর্মকর্তা এই নিয়োগের প্রতিবাদ করায় তিনি আর কমিশনে যোগ দেননি। পরবর্তীতে গত বছরের ১৮ আগস্ট নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান ব্যাংকার রাশেদ মাকসুদ। অন্যদিকে ৩ সেপ্টেম্বর কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ফারজানা লালারুখ। ২০২৪ সালের ৮ মে মোহসিন চৌধুরীকে ৪ বছরের জন্য কমিশনার হিসাবে নিয়োগ দেয় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। আগের নিয়োগ পাওয়া সবাই চলে যেতে বাধ্য হলেও অদূশ্য কারণে কমিশনার হিসেবে থেকে যান তিনি।

এদিকে রাশেদ মাকসুদ দায়িত্ব নেওয়ার পর পুঁজিবাজারে শুরু হয় নতুন অধ্যায়। তার বিরুদ্ধে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ফলে ধীরে ধীরে আস্থা হারাতে শুরু করে বিনিয়োগকারীরা। একইসাথে প্রতিদিনেই কমতে থাকে সূচক ও লেনদেন। বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণে এসব হয়েছে বলে মনে করেন বিনিয়োগকারীরা।

অন্যদিকে বাজারের ধারাহাহিক পতনের কারণে বাজার ছেড়ে যাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। ফলে লোকসান গুনতে শুরু করে বাজারের মধ্যস্তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। নিজেদের অস্তিত্ত টিকিয়ে রাখতে কর্মী ছাঁটাই শুরু করছে প্রতিষ্ঠানগুলো।

বিতর্কিত সিদ্ধান্ত : রাশেদ মাকসুদ বিএসইসির দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্টক এক্সচেঞ্জের পর্ষদ গঠনসহ বেশকিছু সিদ্ধান্ত বাজারে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি করে। এছাড়া কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কোনো স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কথা বলেন না। কেউ তার সঙ্গে দেখা করতে পারেন না। অন্যদিকে বিএসইসির ভিতরেও এক ধরণের স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অভিযোগ রয়েছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। ফলে এক সময় সংস্থাটির কর্মকর্তারা চেয়ারম্যানসহ কমিশনারদের অবরুদ্ধ করে রাখে। বিষয়টি বাজারসংশ্লিষ্টরা ভালোভাবে নেননি। অর্থাৎ কমিশন অনেকটাই বাজার থেকে বিচ্ছিন্ন। অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠান বেশি লেনদেন করে, এ ধরনের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট বন্ধ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট বন্ধ থাকা যৌক্তিক। তবে প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখলে বিনিয়োগকারীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হন। এর ফলে ঘুরে দাঁড়ানো তো দূরের কথা, উলটো টানা পতন অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে মন্ত্রণালয় থেকে প্রেষণে (ডেপুটেশন) কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে তৈরি হয় নতুন বিতর্ক।

দুদকে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ: খন্দকার রাশেদ মাকসুদের দুর্নীতি দ্রুত অনুসন্ধান করার দাবিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন বিনিয়োগকারীদের সংগঠন বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টর এসোসিয়েশন (বিসিএমআইএ)।

গত ২৯ এপ্রিল দুদকে এই অভিযোগ করেন বিনিয়োগকারীরা। তাঁরা অভিযোগ করেন, খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এনআরবিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকা অবস্থায় ব্যাংকটির চেয়ারম্যান পারভেজ তমাল, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম মিয়া আরজু ও এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান আদনান ইমামের নেতৃত্বাধীন সংঘবদ্ধ আর্থিক দুর্নীতি চক্রের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেননি। উল্টো সহযোগী হিসেবে ভূমিকা পালন করার অভিযোগ রয়েছে। এসব কারণে অন্যদেরসহ তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন ২৬৪ কোটি টাকার ঋণ অনিয়মে তদন্ত শুরু করে। তার এই দুর্নীতি দ্রুত অনুসন্ধান করে তাকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তাঁরা। এছাড়া সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান ও ব্যাংক লুটের সাথে জড়িত বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে সখ্যতার অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, বিএসইসি থেকে খন্দকার রাশেদ মাকসুদকে না সরালে পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরবে না। তাই পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও বেহাল অবস্থা থেকে বের করে আনতে হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থায় যোগ্য ব্যক্তিকে বসানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

কমিশনারের পুঁজিবাজারে ব্যবসা: বিএসইসির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন কমিশনার মো. মোহসিন চৌধুরী। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানটির গুরুত্বপূর্ণ বিভাগগুলোর দায়িত্বে আছেন। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) আওতাধীন ‘জিরো ওয়ান লিমিটেড’ নামে একটি ব্রোকারেজ হাউজে তার সক্রিয় বিও অ্যাকাউন্টের তথ্য মিলেছে। ওই বিও অ্যাকাউন্ট নম্বর ১২০৪১৫০০৭৪৫১৮৭৩৪। ট্রেডিং কোড (ব্রোকারেজ হাউজে লেনদেনের সংক্ষিপ্ত নম্বর) ৪৬৩।

জানা গেছে, বর্তমানে তার (মো. মোহসিন চৌধুরী) ওই অ্যাকাউন্টে বাজারে সবচেয়ে বিতর্কিত কোম্পানি বেক্সিমকো লিমিটেডের ২ হাজার ২৩১টি শেয়ার আছে। এক্ষেত্রে বাজারে তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির শেয়ার থেকে ফ্লোর প্রাইস (দাম কমার নিম্নসীমা) প্রত্যাহার করা হলেও বেক্সিমকোর ক্ষেত্রে তা বহাল আছে। অর্থাৎ বেক্সিমকোর শেয়ারের দাম কমতে পারবে না। বেক্সিমকো ছাড়াও আরও ৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন করেছেন তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের কাজ আইন, বিধিমালা এবং নৈতিকতার সম্পূর্ণ পরিপন্থি।

বাজার পরিস্থিতি: নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গত ৯ মাসে সব শেয়ার বিক্রি করে বিও অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছেন ৩০ হাজার বিনিয়োগকারী। নিষ্ক্রিয় প্রায় ৫৭ হাজার বিনিয়োগকারী। রাশেদ মাকসুদ দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৮ আগস্ট ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৫ হাজার ৭৭৮ দশমিক ৬৩ পয়েন্ট। সর্বশেষ মঙ্গলবারের লেনদেন শেষে এই সূচক দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮৭৪ পয়েন্টে। অর্থাৎ খন্দকার রাশেদ মাকসুদ দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ৯০০ পয়েন্ট কমেছে। এছাড় গত বছরের আগস্টের পর থেকে বাজার মূলধন কমেছ প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা। ১৮ আগস্ট ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ৭ লাখ ১ হাজার ৭৮ কোটি ২৮ লাখ ৬২ হাজার টাকা। বর্তমানে বাজার মূলধন হয়েছে ৬ লাখ ৫২ হাজার ৪৪৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ রাশেদ মাকসুদ দ্বায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ৪৮ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকা।

প্রধান উপদেষ্টার পাঁচটি নির্দেশনা: পুঁজিবাজারে ধারাবাহিক পতনের কারণে অর্থ উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ও বিএসইসির চেয়ারম্যানকে নিয়ে জরুরী বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৈঠকে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে পাঁচটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নির্দেশনাগুলো হচ্ছে: ১. দেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী যেসব বিদেশি বা বহুজাতিক কোম্পানিতে সরকারের মালিকানা রয়েছে, সেগুলোকে দ্রুত পুঁজিবাজারে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ। ২. গত ২০-৩০ বছরে দেশের বেসরকারি খাতে যেসব ভালো ও বড় বড় কোম্পানি গড়ে উঠেছে, সেগুলোকে প্রণোদনা দিয়ে বাজারে আনার উদ্যোগ নেওয়া। ৩. বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ দল এনে তিন মাসের মধ্যে পুঁজিবাজার সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া। ৪. পুঁজিবাজার-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ। ৫. বড় বড় কোম্পানি যাতে ব্যাংকঋণ নেওয়ার বদলে পুঁজিবাজারে বন্ড বা শেয়ার ছেড়ে পুঁজি সংগ্রহে আগ্রহী হয়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া।

বাজার সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য: পুঁজিবাজারের সার্বিক বিষয়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মমিনুল ইসলাম বলেন, বিনিয়োগকারীদের প্রতিটি টাকা গুরুত্বপূর্ণ। বিএসইসির দায়িত্ব বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা। আমরা চাই কমিশন বাজারের বাস্তবতা বুঝে সিদ্ধান্ত নিক। নিয়মিত সংলাপ ও সমন্বয় ছাড়া বাজার ঘুরে দাঁড়াবে না।

এবিষয়ে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, বাজারের মূল সমস্যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট। দীর্ঘদিন থেকে এই সংকট চলে আসছে। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক বিভিন্ন সংকট, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং জাতীয় রাজনীতিসহ সবকিছু যোগ হয়েছে। ফলে সবার আগে আস্থার সংকট দূর করতে পদক্ষেপ নিতে হবে। এক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অর্থাৎ, বিনিয়োগকারীদের এই নিশ্চয়তা দিতে হবে-কারসাজির মাধ্যমে কেউ তার টাকা হাতিয়ে নিলে বিচার হবে। পাশাপাশি ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে হবে। তবে কাজটি খুব সহজ নয়।

অন্যদিকে সংস্থাটির সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী মনে করেন, বিএসইসি একটি স্বতন্ত্র সংস্থা, যার নিজস্ব নিয়মকানুন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে। সরকার যদি মন্ত্রণালয় থেকে প্রেষণে (ডেপুটেশন) কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়, তবে বিএসইসির স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হতে পারে। তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিলে বিএসইসির স্বাধীনতা প্রভাবিত হতে পারে, যদিও তাদের দক্ষতা ও ভূমিকা যা-ই হোক না কেন।

টাস্কফোর্সের ধীরগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, টাস্কফোর্স করা হয়েছে অনেক মাস হয়ে গেছে। এই পর্যন্ত তারা মাত্র কয়েকটা বিষয়ে সুপারিশ দিয়েছে” । বর্তমান কমিশনের অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকতে পারে, তবে তিনি তাদের অসৎ মনে করেন না ।
ফারুক আহমেদ সিদ্দিকীর মতে, পুঁজিবাজারের সুশাসন ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে বিএসইসির স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ গঠন, এবং দক্ষ ও অভিজ্ঞ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। তিনি বিশ্বাস করেন, এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করলে পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে।