বৈশ্বিক সূচকে আজ ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর

সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৬-০৯-১২ ০৯:৫৯:১২


বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাবে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই।

এমন অবস্থায় ১৯১ স্কোর নিয়ে বৈশ্বিক সূচকে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার শহর কুচিং। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে বায়ুমান স্কোর ১২৯ নিয়ে তালিকার ৩ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বাতাসের এই মানকেও ধরা হয় ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ১৯১ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার শহর কুচিং। এ ছাড়া ১৬৭ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, ১২৯ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা, ১২১ স্কোর নিয়ে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের স্কোর ১১৭।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়।

৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

এনজে