ফ্রিল্যান্সারদের আয় ৫শ’ কোটি টাকা ছাড়াবে

|| প্রকাশ: ২০১৫-১০-৩০ ১৮:০৪:০৩ || আপডেট: ২০১৫-১০-৩০ ১৮:০৪:০৩

qGXjFKCi8cEbতথ্য-প্রযুক্তির বিশ্বে ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে ডিজিটাল বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সবচেয়ে বড় খাত। এ কাজে সফলতার জন্য দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ এবং ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা অর্জন ও ধৈর্য ধরে কাজ করাটাই বেশি জরুরি।

গতানুগতিক চাকরির বাইরে নিজের ইচ্ছেমতো কাজ করাই ফ্রিল্যান্সিং। উন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল দেশের কর্মীদের দিয়ে ওডেক্সের মত বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেসের মাধ্যমে তাদের প্রতিষ্ঠানের কাজ করিয়ে থাকেন।

ফ্রিল্যান্সারের দক্ষতা অনুযায়ী মার্কেট বিড করে কাজ নিতে হয়। একজন কর্মীকে কেবল তার কাজের জন্যই অর্থ পরিশোধ করা হয়। এটাই আউটসোর্সিং। দিন দিন আউটসোর্সিংয়ের পরিমাণও বাড়ছে বিশ্বব্যাপী।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস-বেসিস এর তথ্য অনুসারে, ২০১৫ সালে সারা বিশ্বে ৪শ’ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণের কাজ আউটসোর্স হওয়ার কথা। এর পাঁচ শতাংশ মার্কেট শেয়ার বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয়ের চেয়েও বেশি।

ফ্রিল্যান্সে কাজ করা কর্মীরা বলছেন, আইটি সেক্টরে নিজের সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ফ্রিল্যান্সে কাজ করা। আর তাই প্রক্ষিণের মাধ্যমে আমারা ফ্রিল্যান্সে বেসিক ধারণাগুলো নিয়ে কাজ করছি। 

বর্তমানে বাংলাদেশের ৫ লক্ষাধিক তরুণ আউটসোর্সিং সাইটগুলোতে নিবন্ধন করলেও সক্রিয় রয়েছেন ৫০ হাজারের মত। ফ্রিল্যান্সিংয়ে শিক্ষিত তরুণদের দক্ষ করতে প্রশিক্ষণও দিচ্ছে সরকার।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়েল সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার বলেন, যারা আইটি সম্পর্কে কিছুই জানতো না তাদেরকে আইটিতে প্রশিক্ষিত করে আইটিতে ক্যারিয়ার গড়ে দেওয়ায় আমাদের মূল প্রয়াস। যাতে করে এসব প্রশিক্ষিতরা শ্রম নির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞান ভিত্তিক অর্থনীতিতে চলে যাবে।

তবে বেসিসের প্রেসিডেন্ট শামীম আহমেদের মতে, কয়েকমাস ধরে যারা ফ্রিল্যান্সিং করে কোনো অর্থ আয় করতে পারছে না; তারা নিজের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি ধৈর্য ধরে কাজ করে যেতে হবে।

বেসিসের তথ্যমতে, চলতি বছর বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের আয় ৫শ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ৫ বছর পর এ আয় দাঁড়াবে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১ হাজার কোটি টাকা।

সানবিডি/ঢাকা/রাআ