পুঁজিবাজারের উন্নয়নে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার বাড়ানো হবে:বিএসইসি চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-০৬-৩০ ২১:০৫:০৬


পুঁজিবাজারের কাজের গতী বাড়াতে সব জায়গায় তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে চায় বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন অনলাইন প্লাটফর্ম ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি ও সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ানকে যুক্ত করেছে বিএসইসি।

আজ মঙ্গলবার ‘অনলাইন রিপোর্ট সাবমিশন প্ল্যাটফর্ম’ নামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিএসইসি সূত্র মতে,ফলে বিএসইসি এর দুই অংশীজন জুলাই ২০২০ থেকে তাদের মাসিক এবং ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন অনলাইনে দাখিল করতে পারবে। উল্লেখিত রিপোর্টসমূহ দাখিল করলে যারা দাখিল করেছেন তারা একটি সিস্টেম জেনারেটেড প্রাপ্তি স্বীকারপত্র পাবেন। তাছাড়া ব্যবহারকারীরা তাদের ড্যাশবোর্ডে ইতিমধ্যে যেসকল রিপোর্ট জমা দিয়েছে তাও পাবেন। প্রতি মাসের দশ তারিখের মধ্যে দাখিলকৃত বর্তমান রিপোর্ট সংশোধন করা যাবে। এই প্ল্যাটফর্মটি বিএসইসি বাইরের কোনো সাহায্য ছাড়া প্রস্তুত করেছে। এর ব্যবহারকারীরা রিপোর্ট প্রদানের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রাতদিন যেকোনো সময় রিপোর্ট জমা দিতে পারবেন। অন্যদিকে বিএসইসি এই জমাকৃত রিপোর্ট এককভাবে এবং সামষ্টিকভাবে বিশ্লেষণ করতে পারবে।

বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল- ইসলাম বলেন, আমরা আইটি প্লাটফর্মের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিএসইসির সর্বক্ষেত্রে আইটি ব্যবহারের জন্য খুব শীঘ্রই একজন আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগ করা হবে।

তিনি আরও বলেন যে, এর মাধ্যমে বিএসইসির সকল অংশীজনের রিপোর্ট প্রদান সহজ করা হবে। বক্তব্য শেষে তিনি ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি এবং সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ানদের অনলাইনে রিপোর্ট জমাদানের জন্য এই প্ল্যাটফর্মটি উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের সাবেক শিক্ষক প্রফেসর এম. এ. বাকী খলিলি বলেন, পুঁজিবাজারের সকল কার্যক্রমে স্বচ্ছতার উপর বিশেষ জোর দেওয়া প্রয়োজন। কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির ব্যবসায়িক পরিস্থিতির উপর অতিরিক্ত কোন তথ্যের প্রয়োজনের ব্যাপারে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের সাথে একযোগে কাজ করার পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে এসআরাআই বিভাগের কমিশনার মোঃ আব্দুল হালিম চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য পুঁজিবাজারকে প্রস্তুত করার উপর জোর দেন।

২০১৯ সালের জুলাই মাসে চালু হওয়া এই প্লাটফর্মটি এতো দিন প্রাতিষ্ঠানিক ব্রোকার, মার্চেন্ট ব্যাংক এবং এ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিরা তাদের মাসিক রিপোর্ট দাখিল করছেন।