বিদায় কিংবদন্তি যুদ্ধ সাংবাদিক রবার্ট ফিস্ক

সান বিডি ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২০-১১-১৯ ২১:০৫:১১ || আপডেট: ২০২০-১১-১৯ ২১:০৫:১১

বরেন্য আইরিশ-ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক রবার্ট ফিস্ক ৭৪ বছর বয়সে গত ৩০ অক্টোবর ২০২০ আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে মৃত্যুবরন করেন। যুদ্ধ সাংবাদিক (ওয়ার করেসপন্ডেন্ট) হিসেবে ফিস্ক নিজেকে নিয়ে গিয়েছিলেন অনন্য উচ্চতায়। সুনিদির্ষ্ট কোন অভিধায় বা বিশেষনে অবশ্য ফিস্ককে সীমাবদ্ধ করা যায় না। এক শোক বার্তায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রি একে আবদুল মোমেন বলেন- ‘রবার্ট ফিস্কের লেখাগুলোয় মধ্যপ্রাচ্যের বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে, তিনি একজন মহৎ সাংবাদিক‘। ফিস্ক শুধু সাংবাদিক নন, তাকে নির্যাতিত ও বিবেকবান মানুষের কন্ঠস্বরও বলা হয়।

১৯৯২ এর ডিসেম্বর। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের (আনটাক) জন্য কম্বোডিয়ার রাজধানী নমপেন এখন বিদেশী সাংবাদিক, লেখক ও গবেষকদের কেন্দ্র ভূমি। ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় ইন্দোচীনে কর্মরত সেই সময়ের অনেক তরুন যুদ্ধ সাংবাদিক ও লেখক প্রায় বিশ বছর পর আবার কম্বোডিয়ায় এসেছেন। নমপেনে কর্মরত বন্ধুপ্রতিম এক লেবানীজ সহকর্মী থেকেই রবার্ট ফিস্কের রোমাঞ্চকর সাংবাদিকতার কথা প্রথম শুনি।

ততোদিনে যুদ্ধ সাংবাদিকতা সম্পর্কে জানা আমার কাছে প্রায়- পেশাগত আকর্ষনীয় একটি বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। উল্লেখ্য বাংলাদেশের প্রথম নারী ভাস্কর নভেরা আহমেদ এর ফরাসি বন্ধু ও ফটোগ্রাফার পোলানস্কি যুদ্ধ সাংবাদিকের এক্রেডিশন পেয়ে ছবি তুলতে ভিয়েতনামের ফ্রন্ট লাইনে ঘুরে বেড়িয়েছিলেন। নভেরা আহমেদও তার সঙ্গে ভিয়েতনামের রনাঙ্গনে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশের কিংবদন্তি সাংবাদিক এসএম আলী দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মর্যাদাপূর্ণ পত্র পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত থাকাকালীন ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসের যুদ্ধগুলো রিপোর্ট করেছেন। পরবর্তীতে কুয়েতে কর্মরত থাকাকালীন রবার্ট ফিস্কের ব্যতিক্রমধর্মী রিপোর্টাজ ও বইগুলো চুম্বকের মতো আকর্ষন করে। বিশেষত তার মাষ্টার পিস “দি গ্রেট ওয়ার ফর সিভিলাইজেশন”- পড়ে আমি মানস ভ্রমন করি আফগানিস্তান থেকে মরক্কো পর্যন্ত বিস্তৃত রনাঙ্গন থেকে রনাঙ্গনে।

প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে অংশ নেয়া সাহসী বাবা লেফটেন্যান্ট উইলিয়াম ফিস্কের একমাত্র সন্তান ছিলেন রবার্ট ফিস্ক। জন্ম ইংল্যান্ডের কেন্টের মেইডষ্টোনে ১৯৪৬ সালের ১২ জুলাই। লেখাপড়া করেছেন ল্যানচেষ্টার ইউনিভার্সিটিতে। হিচককের যুদ্ধের ছবি ′ফরেন করেসপন্ডেট′ দেখে সাংবাদিক হওয়ার অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন বালক ফিস্ক। পরে তিনি আয়ারল্যান্ডের নাগরিকত্ব গ্রহন করেন।

সাংবাদিকতায় ফিস্কের ক্যারিয়ার শুরু হয় সানডে একপ্রেস-এ। ১৯৭২ সালে উত্তর আয়ারল্যান্ডের সাংবাদদাতা হিসেবে যোগ দেন বৃটেনের ‘দ্য টাইমস’- এ। ১৯৭৬ সালে তিনি বৈরুতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে টাইমস এর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে ব্রিটেনের ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকায় যোগ দেন এবং মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি এই পত্রিকার মধ্যপ্রাচ্যের প্রতিনিধি ছিলেন।

লেবাননের গৃহযুদ্ধের সময় বিপদজনক নগরী বৈরুত থেকে যুদ্ধের ওপর প্রতিবেদন পাঠানো ফিস্কের রিপোর্টগুলো পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষন করে। ১৯৮২ সালে লেবাননের সাবরা ও সাতিলা রিফিউজি ক্যাম্পে লেবাননের খৃষ্টান ফ্যালানজিষ্ট মিলিশিয়া বাহিনীর নৃশংস আক্রমনে ১৫০০ এরও বেশী প্যালেষ্টাইনী নিহত হয়। তখন ইসরাইলি সেনাবাহিনী ক্যাম্পগুলো ঘিরে রাখে। প্রচন্ড গোলাগুলির মধ্যে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে রবার্ট ফিস্কই প্রথম রিপোর্ট করেন। এই গনহত্যায় স্তম্ভিত হয় বিশ্ব বিবেক। এখানে উল্লেখ্য, প্রখ্যাত সাংবাদিক কে.জি. মুস্তাফা ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে প্রথমে লেবাননে এবং ১৯৭৪-৭৫ সালে ইরাকে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি, ১৯৭৬ সালে ইরাকের ইংরেজি সাপ্তাহিক ইরাক টু-ডে এবং দি ডেইলি বাগদাদ এর এডিটরিয়াল কলসালটেন্টের দায়িত্ব পালন করেন।

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, যুদ্ধ, নিরাপত্তাহীনতা ও সহিংসতা বিষয়ে রবার্টের অনেক আগ্রহ ছিল। গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে ইরানের বিপ্লব, ইরান-ইরাক যুদ্ধ, আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন, বলকান যুদ্ধ, লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসন, আলজেরিয়ার গৃহযুদ্ধ, উপসাগরীয় যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ইরাক আক্রমন, ন্যাটোর আফগানিস্তানে হামলা ও চলমান সিরিয়ার গৃহযুদ্ধসহ মোট ১১টি যুদ্ধ কাভার করেছেন। তাই যুদ্ধ সাংবাদিক হিসেবে তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দী। সাংবাদিক জীবন নিয়ে এক কথায় রবার্ট বলে গেছেন- যখনই যে সূত্র পাও না কেন তার পেছনেই তোমাকে ছুটতে হবে।

ফিস্ক ইরান-ইরাক যুদ্ধের (১৯৮০-১৯৮৮) অনুপুংখ বিবরণ তুলে ধরেন। উভয় সরকারই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার জন্য ফিস্ককে যুদ্ধের ফ্রন্ট লাইনে যাওয়ার চমৎকার সুযোগ দিয়েছিল। তিনিই রিপোর্ট করেন সাদ্দাম হোসেনের নেতৃত্বাধীন ইরাকী বাহিনীর গ্যাস হামলা, ইরাকের বাথ পার্টির নিষ্ঠুর শাসন এবং ইরানে বিপ্লব-পরবর্তী ব্যাপক মানবাধিকার লংঘনের বিষয়গুলো। এখানে উল্লেখ্য, ইরান-ইরাক যুদ্ধের প্রথম দিকে (১৯৮১) যুদ্ধ বন্ধে বাংলাদেশের উদ্যোগ উভয় দেশেই প্রশংসিত হয়েছিল। ইরান-ইরাকে যুদ্ধ-পরবর্তী (১৯৮৮) শান্তিরক্ষা অভিযানে (ইউনিমগ) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একদল চৌকশ অফিসার অংশগ্রহন করে। সেটিই ছিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন। আজ বাংলাদেশ সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশী শান্তিরক্ষী প্রেরনকারী দেশ। ইরাক ও আফগান যুদ্ধে সংবাদ সংগ্রহের কারনে বাংলাদেশের সাংবাদিক আনিস আলমগীর খ্যাতি লাভ করেন। ইরাক যুদ্ধের (২০০৩) সময় বাগদাদে অবস্থানকালে যুদ্ধ সংবাদদাতা আনিস আলমগীরের রবার্ট ফিস্কের সঙ্গে দেখা হয়। বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক ও দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী ও সাংবাদিক ফজলুল বারীও ইরাকের যুদ্ধ কাভার করেন।

বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে ইন্টারভিউ সিরিজ (১৯৯৩, ১৯৯৬, ১৯৯৭) করায় বিশ্বজুড়ে পরিচিত পান ফিস্ক। ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে ফিস্কের তৃতীয়বার সাক্ষাত (১৯৯৭ সালে) হয় কান্দাহার পাহাড়ি এলাকায়। লাদেন তাকে বলেছিলেন ′রবার্ট আমাদের ভাইয়েরা স্বপ্নে দেখেছে আপনি একজন আধ্যাত্বিক মানুষ। এর- মানে আপনি সত্যিকারের মুসলিম। রবার্ট তাকে বলেছিলেন- ′আমি মুসলিম নই। আমি একজন সাংবাদিক, যার কাজ হচ্ছে সত্যকে সামনে প্রকাশ করা′।

নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ ও সাহসিকতার জন্য ফিস্ক সমধিক খ্যাত। ফিস্কের তীক্ষ্ন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধগুলোতে চাপিয়ে দেয়া মিথ্যে বয়ানগুলো অসংখ্যবার অসত্য প্রমাণিত হয়েছে। ১৯৮৮ সালে (জুলাই) মার্কিন রনতরী ভিনসেনস থেকে উৎক্ষেপিত ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে একটি ইরানী (এয়ারবাস) বিমান ভূপাতিত হয়েছিল। এতে ২৯০ জন বেসামরিক যাত্রী নিহত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ কর্তৃপক্ষ প্রচার করে যে, বিমানটি রনতরীর দিকে ডাইভ দিচ্ছিল। পরবর্তীতে ফিস্ক প্রমান করেন বিষয়টি একবারেই অসত্য।  চলমান সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের বিষয়ে ফিস্কই সর্বপ্রথম রিপোর্ট করেন যে, সিরিয়ার যুদ্ধরত একটি উগ্র সংগঠনের যোদ্ধারা আহত হওয়ার পর ইসরাইলের হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিল।  ১৯৯৬ (এপ্রিল) সালে লেবাননের কুনা গ্রামে ইসরাইলি বাহিনীর আক্রমনে ১০৬ জন লেবানিজ নিহত হয়। পরবর্তীতে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানায় আর্টিলারী আক্রমনে ভূলবশত এই ঘটনাটি ঘটে। ফিস্কের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে যে, সেই আক্রমনের সময় ইসরাইলি বাহিনী ড্রোন ব্যবহার করেছিল।

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে আফগানিস্তানে (২০০১-২০০২) ন্যাটো বাহিনীর ব্যাপক বোমাবর্ষন ও নাগরিকদের নির্বিচার হত্যার ঘটনা রবার্ট রিপোর্ট করেন। তিনি সর্তক করেছিলেন যে, এর পরিনামে পরবর্তীতে উগ্রপন্থি তালেবানদের উত্থান হতে পারে।

ফিস্ক এমবেডেড সাংবাদিকতার বিরোধী ছিলেন। রনাঙ্গনে রিপোর্ট করার সময় তিনি কখনো সামরিক ইউনিফর্ম পরেননি বা সেনা বাহিনীর অংশ হননি। তিনি বলতেন- ’সাংবাদিকদের কোন ভাবেই যুদ্ধের অংশ হওয়া উচিত নয়। এতে নিরপেক্ষতা থাকেনা’। নিজের চোখে হত্যাকান্ড দেখেই প্রায়ই মানুষের জীবনের করুন অবস্থা নিয়ে লিখতেন বলে আমেরিকা ও ইসরাইলের কাছে তিনি ছিলেন সমালোচিত নাম। মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মানুষের প্রতি রবার্টের ছিল অসাধারন আগ্রহ ও মমত্ববোধ। মধ্যপ্রাচ্যের জনগনের উপর অগনতান্ত্রিক শাসকবর্গের নির্যাতন, শোষন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব ও ইসরাইলের আধিপত্যবাদী আচরন ও ঐতিহাসিক অবিচারের বিষয়ে উচ্চকন্ঠ ছিলেন। সোচ্চার ছিলেন প্যালেষ্টাইনীদের অধিকার নিয়ে। প্যালেষ্টাইনীদের উপর ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরতা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। এজন্য তিনি ইসরাইল ও পশ্চিমা বিশ্বে ‘এন্টি-সেমিটিক’ হিসেবে সমালোচিত হয়েছেন। সহিংসতার জন্য তিনি কোন পক্ষকেই ছাড় দেননি। বোমা বিস্ফোরনে নিহত নিরীহ ইসরাইলিদের মৃত্যুর কথা তিনি রিপোর্ট করেছেন। সমালোচনা করেছেন পিএলও নেতৃবৃন্দকেও। ″দখলবাদী সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের″ খেলায় যখন অধিকাংশ সাংবাদিক, গনমাধ্যমই পশ্চিমাদের নির্দেশিত পথ অনুসরন করেছে, তখন ফিস্ক ক্ষুরধার প্রতিবেদনও বিশ্লেষনের মাধ্যমে প্রশ্ন করেছিলেন।

মনে করা হয় রবার্ট ছিলেন ক্লাসিক্যাল ধারার সম্ভবত সর্বশেষ একজন সাংবাদিক, যার কাছে সত্য, বস্তুনিষ্ঠতা, সততা এবং সর্বোপরি সহমর্মিতার গুরুত্ব ছিল। রবার্ট ছিলেন সত্যিকারের সাহসী মানুষ। তিনি কখনো মিথ্যার সঙ্গে আপোষ করেননি। কাউকেও করেননি কুর্নিস। তিনি বলতেন- ′সাংবাদিকতায় সব সময় কতৃপক্ষ ও কতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার শক্তি থাকতে হয়, বিশেষ করে যখন সরকার ও রাজনীতিবিদরা আমাদের যুদ্ধের দিকে নিয়ে যায়। প্রশ্ন করাই সাংবাদিকের প্রথম কাজ′।

ডিজিটাল টেকনোলজির যুগে মিডিয়ার আকার বেড়েছে অবিশ্বাস্য গতিতে অথচ সারা পৃথিবীতেই আশ্চর্যরকম ভাবে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পরিসর সংকুচিত হয়ে আসছে। বর্তমান সাংবাদিকতা সম্পর্কে ফিস্ক বলেছিলেন- ′বর্তমানে জনসংযোগ বিভাগের অনেক কাজটি করে যাচ্ছেন অধিকাংশ গনমাধ্যমকর্মী। সবাই চায় নিরাপদ সাংবাদিকতা’। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা দিগন্তে উধাও। অথচ আধুনিক, মানবিক ও গনতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র বিনির্মানে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিশেষ প্রয়োজন।

বিশ্বের সাংবাদিকতার এই কঠিন সময়ে রবার্ট ফিস্ক ছিলেন সাহসী ও সৎ সাংবাদিকের উজ্জ্বল উদাহরণ। নতুন প্রজন্মের সাংবাদিকদের কাছে ফিস্ক হতে পারেন এক মহৎ অনুপ্রেরণা। কিংবদন্তি যুদ্ধ সাংবাদিক সর্বোপরি মানবতার পরম বন্ধু হিসেবে রবার্ট ছিলেন একজন নায়ক। একজন সৈনিক হিসেবে এই লেখার মাধ্যমে তাকে শ্রদ্ধা জানাই। রবার্ট ফিস্ক- স্যালুট টু ইউ।

লেখক: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ বায়েজিদ সরোয়ার, এনডিসি (অবঃ)

সানবিডি/এনজে/৯:০৫/১১.১৯.২০২০

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ