মার্জিন বিধিমালার খসড়া সংশোধনী প্রকাশ, মতামত আহ্বান

সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৬-০৭-২০ ১৬:১০:৩৪


বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫’-এর খসড়া সংশোধনী প্রকাশ করেছে বিএসইসি। একইসঙ্গে খসড়া সংশোধনীর ওপর দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত, পরামর্শ ও আপত্তি আহ্বান করেছে কমিশন।

সোমবার (২০ জুলাই) বিএসইসির মুখপাত্রের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার তিনটি জাতীয় দৈনেকে-এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি কমিশনের ওয়েবসাইটেও খসড়া সংশোধনী এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকাশের তারিখ হতে দুই সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কমিশনের কাছে মতামত, পরামর্শ অথবা আপত্তি পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩-এর বিধান অনুযায়ী যেকোনো বিধিমালা প্রণয়ন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে অংশীজন ও সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত গ্রহণ একটি স্বাভাবিক ও বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়া। সেই আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই খসড়া সংশোধনীটি জনমতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত, পরামর্শ ও আপত্তিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন বা পরিমার্জন শেষে বিধিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে। এরপর সরকারি গেজেটে প্রকাশের মাধ্যমে এটি কার্যকর করা হবে।

বিএসইসি বলছে, বর্তমানে প্রকাশিত খসড়া সংশোধনীটি কেবল একটি প্রস্তাবনা, এটি কোনো চূড়ান্ত সংশোধনী নয়। তাই খসড়া সংশোধনী নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনুমান, অপব্যাখ্যা বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে বিভ্রান্ত বা উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই বিএসইসি কাজ করে। প্রস্তাবিত সংশোধনীর লক্ষ্য হলো বিদ্যমান বিধিমালাকে আরও সহজ, বাস্তবসম্মত, ব্যবহারবান্ধব ও কার্যকর করা। অংশীজন ও সংশ্লিষ্টদের মতামত ও পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত সংশোধনী প্রণয়ন করা হবে, যা বিনিয়োগকারীবান্ধব হবে এবং বাজারের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

কমিশন অংশীজনদের গঠনমূলক মতামতের আহ্বান জানিয়ে বলে, সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজন গঠনমূলক মতামত প্রদান করবেন। একইসঙ্গে গণমাধ্যম খসড়া সংশোধনী ও আইনগত প্রক্রিয়ার বিষয়টি যথাযথভাবে উপস্থাপন এবং গঠনমূলক সমালোচনা করবে, যাতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি বা উদ্বেগের সৃষ্টি না হয়।

এএ