চাঁদপুরে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৭ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত
জেলা প্রতিনিধি আপডেট: ২০২৬-০৯-১১ ১১:১০:৫৮
চাঁদপুরে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৯ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ৮ জন চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৪৭ জনে।
চাঁদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হাসপাতালে শনাক্ত ৯ জনের মধ্যে চাঁদপুর সদর উপজেলায় ২ জন, ফরিদগঞ্জে ১ জন, হাজীগঞ্জে ২ জন, মতলব দক্ষিণে ২ জন এবং মতলব উত্তরে ২ জন রয়েছেন। একই সময়ে বেসরকারি হাসপাতালে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ জন। তাদের মধ্যে চাঁদপুর সদরে ৭ জন এবং শাহরাস্তিতে ১ জন রয়েছেন।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৭৩৩ জন। অন্যদিকে বেসরকারি হাসপাতালে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৪ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪৭ জন।
এর মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৯৩ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে জেলায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
উপজেলাভিত্তিক আক্রান্তের হিসাবে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন চাঁদপুর সদর উপজেলায় ২৫৬ জন। এরপর কচুয়ায় ১৪২ জন এবং ফরিদগঞ্জে ১১৮ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
চিকিৎসকরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে এডিস মশার প্রজনন বেড়ে যাওয়ায় ডেঙ্গুর ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা কিংবা ডেঙ্গুর অন্যান্য উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।
চাঁদপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম মাহবুবুর রহমান বলেন, “জুলাই মাস থেকে চাঁদপুরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিবছর এ সময়টাতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ে। ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, ডেঙ্গু পরীক্ষার কিটসহ সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশে জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করতে হবে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে।
এনজে






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














