বিদেশিরা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিষয়ে কিছু বলেননি: কাদের
সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৩-০৭-১৪ ১৯:৪২:৩৪
ঢাকায় সফররত ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলেনি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, তারা শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের কথা বলেছে।
শুক্রবার (১৪জুলাই) বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের এখানে বিদেশিরা এসেছেন। সবাই যে শুধু নির্বাচনের জন্য আসছেন, সেটা কিন্তু না। তারা প্রথমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গিয়েছেন। তারা আসার আগে বিএনপি তাদের অপপ্রচারের মাধ্যমে যে আশঙ্কা, যে ধারণাটা সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, এবার আর সরকারের উপায় নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকার প্রতিনিধিরা সরকারকে বিপদে ফেলবে। নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আসবে। হয়ত সরকারকে বলে দেবে, এভাবে নির্বাচন করো। পার্লামেন্ট ভেঙে যাবে। জনমনে একটা ধারণা ছিল।
তিনি আরও বলেন, শেষ পর্যন্ত কী হলো? তারা বলেছে, একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন তাদের কাম্য। বন্ধু দেশ হিসেবে তারা এ কথাগুলো বলেছে। ভিসা নীতি আসবে, এ ধরনের কোনো উক্তি তারা করেননি। সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা তারা বলেছেন। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের বিষয়ে তারা কিছু বলেননি। এটাই ছিল তাদের বক্তব্যের মূল কথা।
বিএনপির চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা যেটা মনে করি, বিএনপি মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে বিদেশিদের কাছে যে পক্ষপাতমূলক সমর্থন চেয়েছিল, সেটা ব্যর্থ হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। সবাই একমত, আমরা সংবিধান সম্মতভাবে নির্বাচন করব।
বিএনপি ডিসেম্বর থেকে গণঅভ্যুত্থানের ডাক দিয়েছে। সেখান থেকে পদত্যাগের ডাক। এসব কর্মসূচি দেখলে বোঝা যায় তাদের কতটা অবনতি হয়েছে। তাদের নেতাকর্মীরাও হতাশ। এসব কর্মসূচির কারণে সরকার পালাতে পারবে না, এমনটা ভাব দেখিয়েছি। শেষমেশ গোলাপবাগে গিয়ে হোঁচট খেয়েছে। সরকার হঠাতে তাদের যে শক্তি, সেটা তারা সমাবেশ ফুটাতে পারছে না। তার মূল কারণ আমাদের নেত্রীর জনপ্রিয়তা।
তিনি আরও বলেন, আমাদের নিজেদের কারণে নির্বাচনে দুর্নাম হবে এমনটা আমরা চাই না। বৈষম্য রক্ষা করে সরকার ও বিরোধী দলের সংবাদ কাভার দিয়েছে মিডিয়া। আমি আগেও বলেছি, আমরা আমাদের প্রাপ্যটুকু চাই, অতিরিক্ত চাই না।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি আসলে দফা কয়টা তা জানে না। দল কয়টা সেটাও জানে না। এবার দেখলাম ৫৪টা, আবার ৩২টা। রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ২৭ দল।
গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমরা যেটুকু পাব, আপনারা আমাদের সেটা দেবেন। আমরা বাড়তি কিছু চাই না।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ দফায় তারা এক দফার যে হাঁক ডাক দিল, নেতাকর্মীদের বুঝাতে চাইল, এবার সরকার পতন৷ এবার তারা পদযাত্রায় গেলো। তাদের যে শক্তি সমাবেশ দরকার, তা তারা করতে পারছে না। এর মূল কারণ হচ্ছে, এর কৃতিত্ব পুরোটা একজন ব্যক্তির। তিনি শেখ হাসিনা। তার জনপ্রিয়তা বিরোধীদলের ভয়ের কারণ। তারা এই জনপ্রিয়তাকে ভয় পায়।
তিনি বলেন, দল অনুযায়ী আমরা, আমাদের সংগঠনগুলো আগের তুলনায় অনেক সংগঠিত হয়েছে। নিজেরা নিজেদের যে শক্তি আছে, তা নিয়ে সমাবেশ করছে৷
এএ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














