বুদ্ধিস্ট ট্যুরিজমের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন পর্যটনমন্ত্রী

সানবিডি২৪ প্রকাশ: ২০২৬-০৯-০২ ১৬:২৮:৩৬


বুদ্ধিস্ট ট্যুরিজমের উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এ খাতে জাপানের সঙ্গে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে কাজ করতে চায় সরকার। পাশাপাশি জাপানি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে দেশের পর্যটন খাতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

সাক্ষাতে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে অভিনন্দন জানান জাপানের রাষ্ট্রদূত। পরে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, দেশে পাঁচ শতাধিক হেরিটেজ ট্যুরিজম স্পট রয়েছে। এসব পর্যটনকেন্দ্রের উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। হেরিটেজ ট্যুরিজমের উন্নয়নেও জাপানি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রস্তাব আহ্বান করেন তিনি।

বুদ্ধিস্ট ট্যুরিজমের উন্নয়নে জাপানের সঙ্গে পিপিপি মডেলে কাজ করার আগ্রহের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জাপানি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করে বাংলাদেশে পর্যটন খাতে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে সরকার কাজ করছে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন অংশীদার। বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের অগ্রযাত্রায় জাপানকে পাশে চায় সরকার। সম্প্রতি চালু হওয়া বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-নারিতা সরাসরি ফ্লাইট দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত টার্মিনাল-৩ যথাসময়ে উদ্বোধনের বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যত দ্রুত সম্ভব অপারেশনাল রেডিনেস অ্যান্ড এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার (ওআরএটি) কার্যক্রম শুরু করা জরুরি। ইতোমধ্যে জাপানি সাব-ওয়ার্কিং গ্রুপের জমা দেওয়া প্রস্তাবের টেকনো-ফিনান্সিয়াল মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে।

আগামী সপ্তাহে সব নেগোসিয়েশন শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, তৃতীয় টার্মিনালের সফল পরিচালনার জন্য লেটার অব অ্যাসিউরেন্স নিয়ে মন্ত্রণালয় পর্যায়ে কাজ চলছে। আশা করি দ্রুত সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

সাক্ষাতে জাপানের রাষ্ট্রদূত বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করতে জাপানের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিএইচ