বিশ্ববাজারে বেড়েছে দুধ ও দগ্ধজাত পণ্যের দাম

আপডেট: ২০২৬-০৮-২২ ১৬:২১:০৭


বিশ্ববাজারে সামান্য বেড়েছে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যের দাম। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গ্লোবাল ডেইরি ট্রেডের (জিডিটি) এক নিলামে এসব পণ্যের মূল্যসূচক বেড়েছে দশমিক ১ শতাংশ।

টানা তিন নিলামে দাম কমার পর এটি ছিল দ্বিতীয় দফা দাম বাড়ার ঘটনা। খবর নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড, ইডেইরি নিউজ ও এগ্রিল্যান্ড।

সর্বশেষ নিলামে প্রতি টন দুগ্ধজাত পণ্যের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৭৮ ডলারে। নিলামে মোট ৪০ হাজার ৫০৪ টন পণ্য বিক্রি হয়েছে। এবার দাম বাড়ার পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে গুঁড়া দুধ ও পনিরের স্থির চাহিদা। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের মতো প্রধান রফতানিকারক দেশগুলোয় দুধের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ফুল ক্রিম বা ননিযুক্ত গুঁড়া দুধ। হোল মিল্ক পাউডার (ডব্লিউএমপি) বা ননিযুক্ত গুঁড়া দুধের দাম বেড়েছে দশমিক ২ শতাংশ। পণ্যটি টনপ্রতি বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার ৪৮৩ ডলারে। স্কিম মিল্ক পাউডার (এসএমপি) বা ননি ছাড়া গুঁড়া দুধের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ২৬১ ডলার। গুঁড়া দুধের দাম বাড়াকে সাম্প্রতিক বাজারের অন্যতম ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

এর বাইরে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে পনির ও বিশেষায়িত দুগ্ধজাত উপকরণের। চেডার পনিরের দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি টন ৩ হাজার ৭২৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ল্যাকটোজের দাম ৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রতি টনে ১ হাজার ৭৮০ ডলার। মোজারেলার দামও ১ শতাংশ বেড়ে ৩ হাজার ৯৯২ ডলারে পৌঁছায়।

অন্যদিকে দুগ্ধজাত ফ্যাট বা চর্বিজাতীয় পণ্যের দাম কমেছে। মাখন বা বাটারের দাম ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি টন ৫ হাজার ২২৫ ডলারে নেমেছে। অ্যানহাইড্রাস মিল্ক ফ্যাট (এএমএফ) বা দুগ্ধজাত বিশুদ্ধ চর্বির দাম দশমিক ৮ শতাংশ কমে হয়েছে ৬ হাজার ৩৬৭ ডলার। বাটার মিল্ক পাউডারের দামও ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৩ হাজার ৯৬৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এনজে