মীর শাহে আলম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রয়োজনে সেনা মোতায়েন করা হবে
জেলা প্রতিনিধি আপডেট: ২০২৬-১০-০১ ১৬:০৬:২৩
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রয়োজনে সেনাবাহিনী মোতায়ন করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকর নির্বাচনের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে তারা নির্বাচনগুলো শুরু করবে। এ ব্যাপারে কমিশনকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য আমরা আশ্বাস দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় বাজেট-বরাদ্দ আমরা রেখেছি।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে একটি বিষয় গাইবান্ধাবাসী তথা দেশের মানুষকে জানাতে চাই, নির্বাচনের কোনো কলঙ্ক বিএনপির সরকার বা তারেক রহমান নিজের ঘাড়ে নেবেন না। এ কারণে আগামী দিনগুলোতে ইউপি নির্বাচন, পৌরসভা নির্বাচন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও জেলা পরিষদ নির্বাচনগুলো যাতে অবাদ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও দল নিরপেক্ষভাবে হয়, সেজন্য নির্বাচন প্রশাসনকে যতটুকু সহযোগিতা করবার সরকার করবে এবং নির্বাচন কমিশনকে যতটুকু সহযোগিতা করার আমরা করবো।
সেনা মোতায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই নির্বাচনগুলো জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে যদি সেনাবাহিনীও চাওয়া হয় তাহলে সরকারের পক্ষ থেকে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে। সেনাবাহিনী মোতায়েন করে হলেও এই নির্বাচনগুলো জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে যেন তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বচিত হয়ে আসতে পারে, এ ব্যাপারে সার্বিক সহযোগিতা করবো।
বিগত সরকারের নির্বাচন ও দায়িত্বের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত ২০ বছর যাবত স্বৈরাচার সরকার বিনা ভোটে, দিনের ভোট রাতে করে এবং আমি-ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে এ জেলায় আওয়ামী লীগের বহু এমপি এবং হুইপ দায়িত্ব পালন করেছে বা তাদের সহযোগী জাতীয় পার্টিরা দায়িত্ব পালন করেছে। তারা গাইবান্ধা জেলার উন্নয়নে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেনি। গাইবান্ধা অনেক অবহেলিত একটি জেলা। এখানে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থানের প্রয়োজন আছে, কৃষিক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার দরকার আছে, নদী ভাঙন ও চরাঞ্চলের মানুষদেরকে নিয়ে কাজ করার প্রয়োজন আছে। মানুষের সুযোগ সুবিধার প্রয়োজন আছে।
এছাড়াও এখানে আইনশৃঙ্খলা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে, মাদকের ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে, এখানে আসার আগে গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্ট নিয়ে এসেছেন বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মাইনুল হাসান সাদিক, সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন্নবী টিটুল সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএইচ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














