এভিয়েশন হাব গড়তে লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে চায় সরকার : বিমানমন্ত্রী
সানবিডি২৪ প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২৬-১০-০৬ ২১:৩৮:৫৬
বাংলাদেশকে এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তুলতে জার্মানির লুফথানসার সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সরকার। দেশে উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ও ওভারহল (এমআরও) কেন্দ্র স্থাপন এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির সহযোগিতা চেয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লটজের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় দুই দেশের বিমান চলাচল, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উন্নয়ন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে বেসামরিক বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এভিয়েশন প্রতিষ্ঠান হিসেবে লুফথানসা বাংলাদেশের এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগ করতে পারে। বিশেষ করে দেশে এমআরও কেন্দ্র স্থাপনে প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এছাড়া দেশে দক্ষ এভিয়েশন জনবল তৈরির ক্ষেত্রেও লুফথানসার সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথা জানান তিনি।
বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ‘হাই রিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল’ (এইচআরসিএম) তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও আলোচনা হয়। ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যাওয়া কার্গোর ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত নিরাপত্তা অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৯০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছে। এ অবস্থায় এইচআরসিএম বিধিনিষেধ প্রত্যাহারে জার্মানির সহযোগিতা চান তিনি।
বৈঠকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণের বিষয়টিও উঠে আসে। মন্ত্রী জানান, বিমানকে আরও শক্তিশালী করতে ১০টি এয়ারবাস উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলছে।
তবে উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহের সময় এগিয়ে আনার প্রয়োজন রয়েছে। ২০৩০ সালের আগেই এয়ারবাসের উড়োজাহাজ সরবরাহ শুরু করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
এছাড়া বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে বিমান যোগাযোগ বাড়ানো এবং পর্যটন খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও উভয়পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে। দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি এভিয়েশন ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
বিএইচ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













