দেশে এলো টেটনের এআইভিত্তিক বহনযোগ্য হৃদযন্ত্র ‘মাই ইসিজি’
সানবিডি২৪ ডেস্ক প্রকাশ: ২০২৬-১০-১১ ২০:০৫:৩১
বাংলাদেশের বাজারে যাত্রা শুরু করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর বহনযোগ্য ইসিজি যন্ত্র ‘মাই ইসিজি এআই প্রো’। টেটন ইলেকট্রনিক্স বাজারে এনেছে যন্ত্রটি, যার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার টাকা। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই যন্ত্রের মাধ্যমে ঘরে বসেই ইসিজি রেকর্ড করা যাবে। পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যাবে স্মার্টফোনে।
সহজে বহনযোগ্য এ যন্ত্রটি দুর্গম এলাকার বাসিন্দা এবং জেলা সদর হাসপাতাল থেকে দূরে বসবাসকারী রোগীদের জন্য হৃদ্রোগের পরীক্ষা সহজ করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে ইসিজি পরীক্ষার জন্য প্রতিবার হাসপাতালে বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা কিছুটা কমবে।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যন্ত্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ডিন অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. খন্দকার আবদুল আওয়াল রিজভী।
অনুষ্ঠানে টেটন প্রাইভেট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ড. মিজান রহমান বলেন, টেটন প্রযুক্তিকে শুধু একটি পণ্য হিসেবে নয়, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব সমস্যার সমাধানের মাধ্যম হিসেবে কাজে লাগাতে চায়।
‘মাই ইসিজি এআই প্রো’ একটি বহনযোগ্য ১২-লিড ইসিজি যন্ত্র। এটি দিয়ে ঘরে বা সুবিধাজনক স্থানে বসে হৃদ্যন্ত্রের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করা যায়। মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ইসিজি রেকর্ড করার পর ব্যবহারকারী ডিজিটাল পিডিএফ প্রতিবেদন তৈরি করতে পারবেন। প্রয়োজন অনুযায়ী সেই প্রতিবেদন চিকিৎসকের কাছে পাঠানো বা শেয়ার করাও সম্ভব।
যন্ত্রটির মাধ্যমে প্রয়োজনের সময় হৃদ্যন্ত্রের স্পন্দন ও বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে দূরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী রোগীদের জন্য এটি সহায়ক হতে পারে। তবে ইসিজি প্রতিবেদনের সঠিক মূল্যায়ন এবং পরবর্তী চিকিৎসার সিদ্ধান্তের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, স্বাস্থ্যপ্রযুক্তিকে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে রোগী ও চিকিৎসকের মধ্যে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যতথ্য আদান-প্রদান আরও সহজ হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএইচ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













