গুঁড়িয়ে দেয়া হলো মাদকের হটস্পট টঙ্গীর হাজির মাজার বস্তি

জেলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০২৬-০৯-০১ ১১:৪০:৩৫


গাজীপুরের টঙ্গীর মাদকের হটস্পট হিসেবে পরিচিত হাজির মাজার বস্তিতে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। উচ্ছেদ কার্যক্রমে পে-লোডার ও এস্কেভেটরসহ বিপুল সংখ্যক শ্রমিক অংশ নেন। অভিযানে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)। সোমবার (৩১ আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় টঙ্গী বাজার কলকারখানা অধিদপ্তর সংলগ্ন এলাকায় রাজউকের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে এই অভিযান শুরু হয়।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) উপ-পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) লিটন সরকারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়। রাজউক টিমকে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি’র) অতিরিক্ত কমিশনার বেলায়াত হোসেনের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য উচ্ছেদস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, টঙ্গীর হাজির মাজার বস্তিটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের অন্যতম বড় মাদক বিক্রির আস্তানা বা ‘হটস্পট’ হিসেবে পরিচিত ছিল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন ধারাবাহিকভাবে একাধিক অভিযান পরিচালনা করেও এ বস্তির মাদক কারবার সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিল না। অবশেষে জায়গাটি রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নিজস্ব মালিকানাধীন হওয়ায় উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে অবৈধ স্থাপনা ও মাদকের আস্তানাগুলো সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি’র) অতিরিক্ত কমিশনার বেলায়াত হোসেন জানান, মাদকের সামাজিক অভিশাপ থেকে টঙ্গী এলাকাকে মুক্ত করতে এবং সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে এ ধরনের অভিযান অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে মুক্ত করা জমিতে পুনরায় যেন কোনো অবৈধ দখল বা মাদকের স্পট গড়ে উঠতে না পারে সে বিষয়ে কড়া নজরদারি বজায় রাখা হবে।

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) উপ-পরিচালক (এস্টেট ও ভূমি-৩) লিটন সরকার বলেন, রাজউকের একটি প্লট দীর্ঘদিন যাবৎ অবৈধ দখলদারের নিয়ন্ত্রণে ছিল। আজকে প্রশাসনের সহযোগিতায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে আমরা আমাদের প্লট বুঝে নিয়েছি।

এনজে